করোনার মধ্যেই নিরাপত্তা আইনের বি’রুদ্ধে হংকংয়ে বি’ক্ষোভ

প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২০ / ১০:০৪অপরাহ্ণ
করোনার মধ্যেই নিরাপত্তা আইনের বি’রুদ্ধে হংকংয়ে বি’ক্ষোভ

হংকংয়ে চীনের সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর পরিকল্পনার প্রতিবাদে বড় ধরনের বি’ক্ষো’ভ হয়েছে। বি’ক্ষো’ভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়া’রগ্যাস ও জলকা’মান ব্যবহার করেছে পুলিশ।

রোববার হংকংয়ের ওয়ান চাই জেলার শপিং এলাকা কজওয়ে বে-তে হাজার হাজার বি’ক্ষো’ভকারী জড়ো হয়ে ‘হংকং স্বাধীন কর’, ‘হংকংয়ের স্বাধীনতাই একমাত্র পথ’, ধ্বনিতে স্লোগান দিয়েছে। পুলিশ ১২০ জনকে গ্রে’প্তা’র করেছে।

করো’না’ভা’ইরাসের কারণে জা’রি থাকা গণজমায়েতে নিষেধাজ্ঞা এবং সামাজিক দূরত্ব বিধি উপেক্ষা করে বি’ক্ষো’ভ’কারীরা কেবল মাস্ক পরে রাস্তায় মিছিল করে বি’ক্ষো’ভে নামলে পুলিশ তাদের ওপর টি’য়ার গ্যাস ছোড়ে এবং জলকা’মান ব্যবহার করে।

কিছু কিছু বি’ক্ষো’ভকারী এ সময় পুলিশের দিকে ছাতা এবং পানির বোতল ছুড়ে মা’রে। ময়লার বাক্স এবং আবর্জনা দিয়ে রাস্তা অ’বরোধ করারও চেষ্টা চালায় তারা।

চীন গত বৃহস্পতিবার হংকংয়ে রাষ্ট্রদ্রো’হ, বি’চ্ছিন্নতা, দেশদ্রো’হ নি’ষি’দ্ধ করে জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর প্রস্তাব দেওয়ার পর এটিই সেখানে প্রথম বড় ধরনের বি’ক্ষো’ভ।

রোববারের এ বি’ক্ষো’ভ অনেকটাই গতবছর হংকংয়ে ঘটে যাওয়া স’হিং’স বি’ক্ষো’ভের চেহারা নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে কয়েকটি খবরে।
গত বছর হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থি বি’ক্ষো’ভ শুরুর পর থেকে সেখানে ৮ হাজার ৪শ’র বেশি মানুষ গ্রে’প্তা’র হয়েছে।

চীনের নিরাপত্তা আইন চালুর খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, হংকংকে জাতীয় নিরাপত্তা সমুন্নত করতে হবে। তাছাড়া, প্রয়োজনবোধে সেন্ট্রাল পিপলস গভমেন্ট সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলো আইনানুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালনে হংকংয়ে বিভিন্ন সংস্থাও স্থাপন করবে।

চীন আইনটি পাসের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২শ’ রাজনীতিবিদ এরই মধ্যে চীনের এ পরিকল্পনার সমালোচনা করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। তাদের কথায়, এ আইন হংকংয়ের স্বায়ত্ত্বশাসন, আইনের শাসন এবং মৌলিক স্বাধীনতার ওপর আ’ঘা’ত।

তবে হংকংয়ের ক্যারি লাম সরকার প্রস্তাবিত আইনটি পাসে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং এতে হংকংয়ের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হবে না বলে জানিয়েছে।

সুত্রঃ এনটিভি অনলাইন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন