মেম্বারের থাপ্পরে হাসপাতালে প্রতিবন্ধী

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২০ / ০৯:৪৭অপরাহ্ণ
মেম্বারের থাপ্পরে হাসপাতালে প্রতিবন্ধী

মানসিক প্রতিব’ন্ধীর জন্য একটি প্রতিব’ন্ধী কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ইউনিয়ন পরিষদের একজন মেম্বার ৮ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়েছেন। এর পর ওই প্রতিব’ন্ধীর সেমাই চিনির দোকান থেকে রোজার শুরুতে সেমাই ও চিনি নিয়েছিলেন ৮ কেজির মতো।

কিন্তু প্রতিবন্ধী কার্ড না হওয়ায় তার দেওয়া টাকা ও সেমাই চিনি ফেরত চাইতে গেলে তার ওপর চড়া’ও হয়েছে ওই মেম্বর ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এ সময় ওই প্রতিব’ন্ধীকে মা’র’ধ’র করা হয়। এতে তার চারটি দাঁত ভে’ঙে গেছে।

বর্তমানে তিনি পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার বিকেল ৪টায় উপজেলার ৬ নম্বর মোমিনপুর ইউনিয়নের জুড়াই মাদরাসা সংলগ্ন জুড়াই বাজারে।

জানা যায়, মাস দেড়েক আগে উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে হেলাল মন্ডলের মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়।

কার্ড পরে দেওয়ার আশ্বাসে ও সম্প্রতি সরকারি ত্রাণ দেওয়ার প্রলভনে হেলাল উদ্দীনের অস্থায়ী দোকান থেকে সেমাই চিনি বাকিতে নেন তিনি। এদিকে কার্ড না দিয়ে কাল ক্ষেপন শুরু করে ইউপি সদস্য আনোয়ার।

আজ বিকালে ইউনিয়ন পরিষদের দেওয়া অসহায়দের জন্য ১ কেজি সেমাই ও ১ কেজি চিনি হেলাল মণ্ডলকে ডেকে দেন ইউপি সদস্য আনোয়ার। পরিমানে সেমাই চিনি অল্প হওয়ায় তা নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে প্রতিব’ন্ধী কার্ডের জন্য দেয়া ৮ হাজার টাকা ফেরত চাইলে বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেনের ভাই আনাম ও ওবায়দুলসহ সাঙ্গপাঙ্গরা তার ওপর চড়াও হয়ে মারপিট শুরু করে। এ ঘটনায় পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কার্ড করে দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাত ও সেমাই চিনির ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। একটি মহল তার বি’রু’দ্ধে এসব মিথ্যা প্রচারণা করে তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডল ঘটনার বিষয়ে বলেন, পূর্বের অভ্যন্তরীন দ্বন্দের কারণে মা’রা’মাপিটের ঘটনা ঘটেছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন