ছেলেকে কিডনি দিতে আরব-আমিরাতে ছুটে গেলেন মা

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২০ / ০২:৫৫পূর্বাহ্ণ
ছেলেকে কিডনি দিতে আরব-আমিরাতে ছুটে গেলেন মা

‘মা’ একটি এক অক্ষরের শব্দ। অথচ এই শব্দের ব্যাপ্তি যে কতটা বিশাল তা একমাত্র সন্তানরাই জানে। সন্তানের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য মা-ই পৃথিবীর সব কিছু ত্যাগ করতে পারেন। নিজের জীবনের বিনিময়ে সন্তানের জীবন বাঁচিয়েছেন এমন নজির রয়েছে। এই রকমই বিরল এক দৃষ্টান্ত গড়েছেন মৌলভীবাজারের বড়লেখার এক মা।

ছে’লের জীবন বাঁ’চাতে নিজের একটি কিডনি দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ছে’লেকে বাঁ’চাতে বাংলাদেশ থেকে ছুটে গিয়েছেন সংযু’ক্ত আরব-আমিরাতে। গত বছরের ১৯ জুন সন্ধ্যায় একটি হাসপাতা’লে মায়ের দেয়া কিডনি ছে’লের দেহে প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসকরা।

বেলাল আহম’দ ছয় বছর আগে আরব আমিরাতে তার বাবার সঙ্গে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কিডনি ডায়ালাইসিস করেও তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। চিকিৎসকরা বেলালকে জানান তার দুটো কিডনি একেবারে অকেজো হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় চিকিৎসকরা তাকে কিডনি প্রতিস্থাপনের পরাম’র্শ দেন।

বেলালের দুটি কিডনি নষ্ট হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তার মা সালেহা বেগম। এই অবস্থায় নিজের কথা চিন্তা না করে একটি কিডনি ছে’লেকে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছে’লের কিডনির সঙ্গে মিলে যাওয়ায় সম্প্রতি সালেহা বেগম সংযু’ক্ত আরব-আমিরাতে যান।

আমিরাতে আবুধাবি শেখ খলিফা হাসপাতা’লের চিকিৎসকরা মায়ের দেয়া একটি কিডনি ছে’লের দেহে সফলভাবে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হন।

আমিরাত প্রবাসী বেলালের মামাতো ভাই মুহিবুর রহমান বলেন, বেলালের দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এই জন্য বেলালের মা তাকে একটি কিডনি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে মা ও ছে’লে দুজনেই সুস্থ রয়েছেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন