আম পাড়া নিয়ে সংঘ’র্ষে তাহিরপুরে আহ’ত ১০

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২০ / ১২:১৩পূর্বাহ্ণ
আম পাড়া নিয়ে সংঘ’র্ষে তাহিরপুরে আহ’ত ১০

পৈতৃক সম্পক্তি দখ’লের জে’র ও আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দুই সহোদর পরিবারের মধ্যে সং’ঘ’র্ষে বসতবাড়ি ভা’ঙ’চুরসহ কমপক্ষে ১০ জন আ’হ’ত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকালে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সোনাপুর পশ্চিম পাড়ায় ওই সং’ঘ’র্ষের ঘটনাটি ঘটে। এদিন রাতে গুরুতর আ’হ’ত উভয় পরিবারের ৫ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলার বাগলী ও সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানায়, উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মৃত ভাজন আলীর বড় ছেলে খোকা সর্দার ও ছোট ছেলে রোকন সর্দারের মধ্যে পৈতৃক সম্পক্তি নিয়ে গত একযুগ ধরে বি’রো’ধ চলে আসছে।

শুক্রবার বিকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা একটি আম গাছ হতে রোকনের মেয়ে ও ভাতিজির আম পাড়াকে কেন্দ্র করে এই সং’ঘ’র্ষ বাঁধে।

সং’ঘ’র্ষে রোকন সর্দার, তার স্ত্রী সমলা বেগম, ছেলে সুমন (৮), মেয়ে রুবিনা আক্তার (১২), ছোট ভাই খসরু মিয়া, তার স্ত্রী জুলেখা বেগম ও তাদের মেয়ে ইয়াসমীনা বেগম আহত হন।

অপরদিকে খোকা সর্দারের ছেলে বাচ্চু মিয়া, ছেলের স্ত্রী শারমিন বেগম, মেয়ে সাবিনা বেগম (১২) আহত হন। আহ’ত রোকন সর্দার জানান, ২০০৮ সাল থেকে আমার বড়ভাই খোকা সর্দার আমাদের দুই ভাই ও চার বোনের পৈত্রিক বসত বাড়ি ও ১০ কেয়ার জমি জো’রপূর্বক দ’খল করে রেখেছেন।

শুক্রবার তিনি আমার পৈতৃক ভিটায় রেখে আসা বসতবাড়ি ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে বাঁধা দিতে গেলে তার পরিবারের লোকজন সং’ঘ’বদ্ধ হয়ে লা’ঠি’সোটা দিয়ে পি’টি’য়ে ও রামদা দিয়ে কু’পি’য়ে আমাদের র’ক্তা’ক্ত জ’খ’ম করে।

অ’ভি’যোগ অস্বীকার করে খোকা সর্দার বলেন, আমি কোনো পৈতৃক সম্পত্তি দ’খ’ল করিনি। আম পাড়তে নিষেধ করায় শুক্রবার বিকালে রোকন তার পরিবারের লোকজন নিয়ে আমার বাড়িতে এসে হা’ম’লা চালায়। পরে খবর পেয়ে আমি বাড়ি ফিরে তাদের রেখে যাওয়া একটি পতিত ঘর ভা’ঙ’চুর করি।

শনিবার তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান বলেন, লোকমুখে সংঘর্ষের বিষয়টি জেনেছি, উভয় পক্ষের নিকট হতে লিখিত অভি’যো’গ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুত্রঃ যুগান্তর

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন