কোয়ারেন্টিন সেন্টার চালু করল এমপি লতিফ

প্রকাশিত: এপ্রি ১৯, ২০২০ / ১১:০৮অপরাহ্ণ
কোয়ারেন্টিন সেন্টার চালু করল এমপি লতিফ

করোনা’ভা’ইরাস সং’ক্র’মন কমাতে চট্টগ্রামে এমপি এম এ লতিফ নিয়েছেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। পাঁচটি ‘সেলফ কোয়ারেন্টিন সেন্টার’ চালু করেছেন এলাকাবাসীর জন্য। ইতিমধ্যে সেখানে লোকজন আসা শুরু করেছে।

শনিবার পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি সেন্টারে স্বেচ্ছায় ভর্তি হয়েছেন জাহাজফেরত পাঁচজন। তাদের জন্য খাবার আসছে এমপি কিচেনস থেকে। সোমবার সেন্টারের ডাক্তার তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন।

কয়েকদিনের মধ্যে তাদের আরও ১০ সহকর্মী কাজ শেষে সেন্টারে চলে আসবেন। তারা সবাই স্থানীয় উত্তর পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। পরিবারের সাথে পরামর্শ করেই তারা সেন্টারে এসেছেন।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-১১ সংসদীয় এলাকায় সমুদ্রবন্দর, বড় দুটি ইপিজেড, চট্টগ্রাম আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর,বঙ্গবন্ধু টানেলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে এসব স্থানে কর্মরত অনেক মানুষের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার ব্যবস্থা নেই।

ক’রোনা ঝুঁ’কিতে থাকা এলাকাবাসীর জন্য এমপি এম এ লতিফ ব্যক্তিগত উদ্যোগে কো’য়ারেন্টিন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। সেলফ কো’য়ারেন্টিন সেন্টারগুলো হলো- ২৭ নং ওয়ার্ডের আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ, ৩৮ নং ওয়ার্ডে হালিশহর মেহের আফজল উচ্চ বিদ্যালয়, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যারিস্টার সুলতান আহদ চৌধুরী কলেজ, ৪০ নং ওয়ার্ডে পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ও ৩০ নং ওয়ার্ডে বাংলাদেশ রেলওয়ে স্টেশন কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়।

এমপি এম এ লতিফ বলেন,‘আমার এলাকা শ্রমঘন ও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রচুর বিদেশির আনাগোনা রয়েছে। এলাকাবাসীর মধ্যে কেউ যদি হাঁচি,কাশি,জ্বরে ভোগেন এবং তিনি পরিবারকে ঝুঁ’কিমুক্ত রাখতে পৃথকভাবে কোথাও থাকতে চান তাহলে তার জন্য এসব সেলফ কোয়ারেন্টিন সেন্টার।’

এমপি বলেন, ‘কোয়ারেন্টিনে রাখার পর নমুনা পরীক্ষার দরকার হলে তার ব্যবস্থা আছে। যদি পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হয়, তখন তাকে সরকার নির্ধারিত হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।’

সূত্র জানায়, কো’য়ারেন্টিন সেন্টারগুলোতে বেড,মশারি, জুতা,গামছা,স্যান্ডেল সবই দেয়া হচ্ছে। প্লেট,বাটি, গ্লাস সবই রয়েছে আলাদা আলাদা। আর খাবার সরবরাহ দেয়া হচ্ছে এমপি লতিফের ‘এমপি কিচেনস’ থেকে।

ইতোমধ্যে চারটি কেন্দ্র পরিচালনার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসক সমন্বয়ে পরিচালনা টিম গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রে আসার পর থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি যাওয়া পর্যন্ত চিকিৎসাসহ সব কিছুই দেয়া হবে এখানে বিনামূল্যে।

সুত্রঃ কালের কন্ঠ

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন