‘যুগ্ম চ্যাম্পিয়নের বিষয়টা বিবেচনা করা যেত’

ফাইনালের নির্ধারিত ১০০ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল সমান। এমনকি সুপার ওভার শেষেও। বাউন্ডারি সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। হৃদয় ভাঙা ফাইনালের পর নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টেড বলছেন, যুগ্ম চ্যাম্পিয়নের বিষয়টা বিবেচনা করতে পারত আইসিসি।

লর্ডসের ফাইনালে রোববার মূল ম্যাচের পর সুপার ওভারও টাই হলে বাউন্ডারি সংখ্যায় নিউজিল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে থেকে শিরোপা জেতে ইংল্যান্ড। এভাবে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করায় নিয়মটি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন এটিকে বর্ণনা করেছেন ‘সত্যিকারের লজ্জা’ হিসেবে।

কিউইদের হতাশ হওয়ার আরো কারণ ছিল। মার্টিন গাপটিলের ওভার থ্রো বেন স্টোকসের ব্যাটে লেগে চার হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী ইংল্যান্ডের পাওয়া উচিত ছিল পাঁচ রান। কিন্তু আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা দেন ছয় রান। সেটা পাঁচ রান হলে নির্ধারিত ওভারের মধ্যেই জিতে যেত নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করলে তিনি বিষয়টি পছন্দ করতেন কি না, এমন প্রশ্নে নিউজিল্যান্ড কোচ স্টেড বলেছেন, ‘সাত সপ্তাহ ধরে একটা টুর্নামেন্ট চলার পর যখন শেষ দিনে দুই দলকে আলাদা করা যায় না, তখন বিষয়টা (যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন) বিবেচনা করা যেত।’

বাউন্ডারি সংখ্যার নিয়মটারও পক্ষে নন কিউই কোচ, ‘আমি নিশ্চিত যারা নিয়মটা লিখেছিল, তারাও ভাবেনি এরকম একটা বিশ্বকাপ ফাইনাল হবে। আমি নিশ্চিত এটা পর্যালোচনা করা হবে।’

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলান সরাসরিই বলছেন, যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করাটাই হতো সঠিক কাজ, ‘ফলাফল তো আর পরিবর্তন হবে না। তবে এটা পরিষ্কারভাবে বলতে পারি, সাত সপ্তাহ ধরে এত বড় একটা টুর্নামেন্টের পর ৫০ ওভারের ম্যাচ এবং সুপার ওভারেও যখন দুটো দলকে আলাদা করা না যায়, তখন ট্রফি ভাগাভাগি করাই হতো সঠিক কাজ। কিন্তু সেটা হয়নি, আমরা তাই হতাশ। কিন্তু এটাই খেলা, নিয়মগুলো আমাদের মানতে হবে।’

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত