দান করে বাহবা নিতে চাননা ফুটবলার জীবন

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২০ / ০৯:৪৬অপরাহ্ণ
দান করে বাহবা নিতে চাননা ফুটবলার জীবন

করোনাভাইরাসে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ব। এই সংকট মোকাবেলায় দেশে-বিদেশে অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। অনেক দানবীরের কথা মিডিয়াও প্রকাশ হয়েছে, ভবিষ্যতে হবেও। তবে তাদের থেকে একদম আলাদা নাবিব নেওয়াজ জীবন।

জাতীয় দলের এ তারকা ফুটবলার শনিবার সন্ধ্যায় সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে লোকদের জানিয়ে কোনো দান করতে চাই না। দান করে বাহবাও নিতে চাই না। লুকিয়ে লুকিয়ে দান করছি। তার কারণ আল্লাহকে খুশি করাই আমার একমাত্র টার্গেট। দানের ব্যাপারটা না বলাই ভালো।

করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ব। ক্রীড়াঙ্গনেও এর প্রভাব পড়ছে। এমন সংটাপন্ন মুহূর্তে নিজেকে ফিট রাখতে কী করছেন?

এমন প্রশ্নের জবাবে জীবন বলেন, ঘরে বসে ফ্রি হ্যান্ড ট্রেনিং করছি। গ্রামে আসছি এখন পুকুরেও গোসল করা যাচ্ছে না। বাড়ির আশপাশে হাঁটাচলা করছি, বেশি বের হচ্ছি না। চেষ্টা করছি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে।

তরুণপ্রজন্ম সব সময়ই তারকাদের ফলো করে। করোনা মোকাবেলায় সমর্থকদের উদ্দেশে আপনার কী পরামর্শ?

জাতীয় দলের এ স্ট্রাইকার বলেন, এই সংকট মুহূর্তে নিজেকে সেভ রাখার চেষ্টা করতে হবে। চিকিৎসকরা বলছেন, মিনিমাম ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুইতে, মিনিমাম দূরত্ব বজায় রেখে চলতে। এটাই মানতে হবে। এটাই একমাত্র পথ।

আপনাদের গ্রামের কী অবস্থা? আসলে এখনও গ্রামে করোনাভাইরাস সেভাবে ছড়ায়নি। তবে ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। তার কারণ অনেকেই শহর থেকে গ্রামে চলে এসেছেন। অনেকে আবার বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। যে কারণে আতঙ্ক আছে।

গ্রামের ছেলেদের বলছি সবার সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলতে। এই সময়ে অন্য কোথায় যাওয়ার দরকার নেই। প্রয়োজন না থাকলে বাজারেও যেতে বারণ করছি। আপনি তো ঢাকায় ছিলেন, এখন কোথায়? ঢাকায় আবাহনী ক্লাবে হোমকোয়ারেন্টাইনের মতো অবস্থায় ছিলাম।

সোনাবাহিনী নামার আগেই গ্রামে চলে এসেছি। তার কারণ পরিবারকে সময় দেয়ার সুযোগ সেভাবে হয় না। তাছাড়া ঢাকায় সারাক্ষণ বাসায় বসে বিরক্ত হয়ে গেছিলাম। এ জন্য গ্রামে চলে এসেছি।

আর করোনাভাইরাস যেহেতু মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, পৃথিবীর সবাই এখন গৃহবন্দি। আমাদেরও সেভাবে থাকতে হবে। এখন আমরা আল্লাহর দিকেই তাকিয়ে আছি যেন তিনি আমাদের রক্ষা করেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন