বেনাপোলে ভারতের কারফিউয়ের প্রভাব পড়েছে

প্রকাশিত: মার্চ ২২, ২০২০ / ০৮:২০অপরাহ্ণ
বেনাপোলে ভারতের কারফিউয়ের প্রভাব পড়েছে

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনতার কারফিউ জারি করায় রোববার সকাল থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বন্ধ রয়েছে দুই দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য।

ফলে ওপারে ভারতের পেট্টাপোল বন্দরে ৫ হাজার পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকে আছে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায়।

তবে দুই দেশের নাগরিকদের পাসপোর্ট যোগে স্ব-স্ব দেশে ফিরে আসা অব্যাহত আছে। সেই সঙ্গে বেনাপোল বন্দরে স্বাভাবিক রয়েছে মালামাল খালাস প্রক্রিয়া।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার আকরাম হোসেন জানান, ভারতের অভ্যন্তরে কারফিউ জারি করায় সকাল থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম সচল রয়েছে। সোমবার থেকে যথানিয়মে আমদানি-রফতানি শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভারত সরকার জনতার কারফিউ জারি করায় আজ সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি হয়নি। তবে বন্দর থেকে মালামাল খালাস প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবীব জানান, ভারতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত করছেন। তবে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা জারির পর গত ১৩ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কোনো বাংলাদেশি ভারতে যাননি।

বাংলাদেশ সরকারের কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় ভারতীয়রা এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে আসছেন। তবে তাদের সঙ্গে মেডিকেলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক।

উল্লেখ্য, বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ হাজার পাসপোর্ট যাত্রী দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করে থাকে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন এ পথে ৫ শতাধিক ট্রাক পণ্য আমদানি হয় এবং ভারতে রফতানি হয় ২ শতাধিক ট্রাক পণ্য। আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় সরকারকে প্রতিদিন ২০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হতে হয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন