করোনাভাইরাসের কারণে ঋণগ্রহীতাদের ছাড়

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২০ / ০৩:১৬অপরাহ্ণ
করোনাভাইরাসের কারণে ঋণগ্রহীতাদের ছাড়

করোনাভাইরাসে ব্যবসাবাণিজ্যে স্থবিরতা সৃষ্টি হওয়ায় ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে– আগামী জুন পর্যন্ত কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও ঋণের শ্রেণিমানে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না।

বৃহস্পতিবার দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশ দিয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে বর্তমানে কোনো ঋণগ্রহীতা যদি ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন, তা হলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। তবে যদি কোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতা এই সময়ের মধ্যে ঋণ শোধ করেন, তাকে নিয়মিত ঋণগ্রহীতা হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোসাভাইরাসের কারণে ব্যবসাবাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববাণিজ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যবসাবাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আমদানি-রফতানিসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের কারণে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। ফলে অনেক ঋণগ্রহীতাই সময়মতো ঋণের অর্থ পরিশোধে সক্ষম হবেন না বলে ধারণা করা যাচ্ছে। এতে চলমান ব্যবসাবাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার এবং দেশে সামগ্রিক কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হবে— এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ বছরের ১ জানুয়ারিতে ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত ওই মানেই রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর চেয়ে বিরূপ মানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না।’

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করার কথা জানানো হয় প্রজ্ঞাপনে। এ নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

প্রসঙ্গত চীনের হুবেইপ্রদেশের উহান শহর থেকে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। বাংলাদেশে এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন। করোনার কারণে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হওয়ায় ব্যবসাবাণিজ্যে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন