মুক্তিযুদ্ধে বু’লেটবি’দ্ধ ইদিস আলী এখন ঝালমুড়ি বিক্রেতা, প্র’ধানম’ন্ত্রীর নি’র্দেশের পরও পা’ননি স্বী’কৃতি

প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২০ / ১২:২৯অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধে বু’লেটবি’দ্ধ ইদিস আলী এখন ঝালমুড়ি বিক্রেতা, প্র’ধানম’ন্ত্রীর নি’র্দেশের পরও পা’ননি স্বী’কৃতি

কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার ধোবজোড়া গ্রামের ইদ্রিস আলী আপন দে’হে বয়ে বেড়াচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের বে’দনার্ত স্মৃ’তি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পা’ক বা’হিনীর বু’লেটে ইদ্রিস আলী আ’হত হন। সেই তখন থেকেই ইদ্রিস আলী তার শ’রীরে বু’লেটের ক্ষ’তের উপযুক্ত চি’কিৎসা নিতে পারছেন না।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের স’রকার গঠন করার পর বু’লেটবিদ্ধ ইদ্রিস আলীর উপযুক্ত চি’কিৎসা এবং মূল্যায়ন করার জন্য প্র’ধানম’ন্ত্রীর কা’র্যালয় থেকে নি’র্দেশ দেওয়ার পরও তিনি মূল্যায়ন বা স্বী’কৃতি পা’ননি।

কিশোরগঞ্জের হাওড়ে ধোবাজোড়া গ্রামটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘা’টি। এই গ্রামে আশ্রয় নেন ম’হামান্য রা’ষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এর বড় ভাই এম এ গণি সহ উনার আ’ত্মীয় স্ব’জন। এই খবর পাশের গ্রামের কু’খ্যাত রা’জাকার কোরবান আলীর কাছে পৌঁছানোর পর ১৯৭১ সালে ১লা সেপ্টেম্বর সকালে কোরবান আলীর নে’তৃত্বে পা’ক বা’হিনীর একটি দল গ্রা’মটি আ’ক্রমণ করে।

ঘট’নার আ’কস্মিকতা কা’টিয়ে তখনকার কি’শোর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী এম এ গণি সহ তাঁর সহযো’দ্ধাদের কে নিয়ে এই গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে নৌকা চা’লিয়ে যাওয়ার সময় পা’ক বা’হিনীর নজর পড়ে ইদ্রিস আলীর উপর এবং ঠিক সেই সময় নৌকার চা’লক ইদ্রিস আলীকে লক্ষ্য করে তারা গু’লি ছো’ড়ে। ঐদিন ধোবাজোড়া গ্রাম তল্লা’শি করে বিশিষ্ট ২০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ধ’রে নিয়ে যায় ইটনাস্থ পা’কিস্তান ক্যা’ম্পে। সেখানে তাদেরকে নিয়ে হ’ত্যা করা হয়।

বু’লেটবিদ্ধ কিশোর ইদ্রিস আলীর মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী দৈনিক সংবাদ ও প্রথম আলো পত্রিকায় ছাপা হলে প্র’ধানম’ন্ত্রীর কা’র্যালয় থেকে ইদ্রিস আলী কে মুল্যায়িত করার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসককে চিঠি দেওয়া হয়। প্র’ধানম’ন্ত্রী কা’র্যালয়ের স্মারক নং ৬২•১৩•০০০০০১•৯৯। খণ্ড (৪) ২৮২১ তারিখ ৭১০১৯৯৯ জেলা প্রশাসকের স্মারক নং ১৩-৪৩ [২] ১৯_৬৭৮ সাঃ তারিখ ২১|১০ ৯৯ এর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন মিঠামইন থানা নির্বাহী অফিসার ১৯৯৯ সালের ৮ নভেম্বর জেলা প্রশাসককে স্মারক নং ৪৪৮ মূলে প্রতিবেদন পাঠানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয় ইদ্রিস আলী মূল্যায়ন পাওয়ার উপযুক্ত অথচ আজও ইদ্রিস আলী অ’বমূল্যায়িত স্থানে পড়ে আছেন। প্র’ধানম’ন্ত্রীর নি’র্দেশের পরও আজো পা’ননি মুক্তিযোদ্ধার স্বী’কৃতি। বু’লেটবি’দ্ধ ইদ্রিস আলী জানান ম’হামান্য রা’ষ্ট্রপতি যখন জা’তীয় সং’সদের ডেপুটি স্পি’কার ছিলেন তখন তাকে চি’কিৎসার জন্য ৩ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশেষ অবদান থাকার পরও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম নে’ই। তিনি এখন ধোবাজোড়া স’রকারি প্রা’থমিক বি’দ্যালয়ের সামনে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে সং’সার চালাতে পারলেও অর্থের অ’ভাবে শ’রীরের চি’কিৎসা নিতে পা’রছেন না।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন