যে কারণে ভেঙে গেল শাবনূরের সংসার

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২০ / ১০:০৭পূর্বাহ্ণ
যে কারণে ভেঙে গেল শাবনূরের সংসার

ভেঙে গেছে ঢাকাই সিনেমা’র জনপ্রিয় অ’ভিনেত্রী শাবনূর (শারমীন নাহিদ নূপুর) এর সংসার। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তিনি অনিক মাহমুদ হৃদয় নামের এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেন। বনিবনা না হওয়ায় স্বামীকে নিজেই ডিভোর্স দিয়েছেন শাবনূর।

তার তালাক নোটিশ তৈরি করা এডভোকেট কাওসার আহমেদ এই তথ্যই জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, স্বামী অনিক মা’দকাসক্ত। রাত বিরাতে মা`তাল হয়ে বাসায় ফিরেন। শাবনূরকে নানারকম নি’র্যাতন করেন। স্ত্রী’-সন্তানের প্রতি দায়িত্বও পালন করেন না। বির’ক্ত হয়েই তার কাছ থেকে বিচ্ছেদ চেয়েছেন ঢালিউডের অন্যতম সফল এ নায়িকা।

কাওসার আহমেদ জানান, গেল ২৬ জানুয়ারি স্বামী অনিককে তালাক দিয়েছেন। তালাকের নোটিশ অনিকের উত্তরা ও গাজীপুরের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

সেই নোটিশে শাবনূর বিচ্ছেদের কারণ উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমা’র স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় সন্তান এবং আমা’র যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করে না। সে মা’দকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে ম’দ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমা’র ওপর শা*রীরিক ও মানসিক নি’র্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমা’র কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে স’ম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।

একজন মু’সলিম স্ত্রী’র সঙ্গে স্বামী যে ব্যবহার করেন অনিক সেটা করছেন না, উল্টো নানাভাবে আমাকে নি’র্যাতন করে। এসব কারণে আমা’র জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমা’র সন্তান এবং আমা’র ওপর নি’র্যাতন আরো বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয়ে তার সঙ্গে আমা’র আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।

তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব স’ম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মু’সলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমা’র বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী’ নই।’

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয়ের সঙ্গে আংটি বদল করেন শাবনূর। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তারা বিয়ে করেন। সেই সংসারে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন