এনজিও কর্মী নি’খোঁজের ১৪ মাস পর লা’শ মিলল কলা বাগানে

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২০ / ০৯:৫০অপরাহ্ণ
এনজিও কর্মী নি’খোঁজের ১৪ মাস পর লা’শ মিলল কলা বাগানে

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নিখোঁজের ১৪ মাস পরে এনজিও কর্মী রায়চরনের লা’শ উ’দ্ধার করেছে সিআইডি।

মঙ্গলবার বিকালে মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের একটি কলা বাগান থেকে তার লা’শ উ’দ্ধার করা হয়।

২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর রায়চরনকে খুন করে তার লা’শ বস্তায় ভরে কলাবাগানে পুঁতে রাখে ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মাহমুদুল হাসান সেন্টু।

নি’খোঁজ রায়চরন গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া উপজেলার ভৈরব নগর গ্রামের বিশ্বনাথ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি মুকসুদপুরের একটি এনজিওর মাঠকর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

লা’শ উত্তোলনের সময় ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন গোপালগঞ্জ জেলা সহকারী কমিশনার ও এ’ক্সি’কিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইউসুফ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ সিআইডির সিনিয়র এএসপি জাহাঙ্গীর আলম, মুকসুদপুর থানার ওসি মীর্জা আবুল কালাম আজাদ, মা’ম’লার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জের সিআইডির এএসআই রবিউল ইসলামসহ সিআইডি ও মুকসুদপুর থানা পুলিশ।

গোপালগঞ্জ সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর ফাতেহ মোহাম্মদ ইফতেখার আলম জানান, ঘটনার পর থেকে সেন্টুকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে এনজিও কর্মীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের আইএমই নম্বর ট্র্যাকিং করা হয়। ট্র্যাকিংয়ে জানা যায়, রায়চরনের মোবাইল বরগুনার তালতলীতে সেন্টুর স্ত্রীর বড়বোন নার্গিস ব্যবহার করছেন।

নার্গিসকে আনার পর সেন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সেন্টু স্বীকারোক্তি দেয়, রায়চরনকে খু’ন করে কলাবাগানে পুঁ’তে রাখা হয়েছে।

মোহাম্মদ ইফতেখার আলম জানান, ঋণের কিস্তির টাকা নিয়ে কথাকা’টা’কাটি হওয়ায় তাকে হ’ত্যা করে লা’শ গু’ম করে রাখা হয়। সেন্টুকে এই মা’ম’লার স’ন্দেহ ভাজন আ’সা’মি হিসেবে গ্রে’ফ’তার করা হয়েছিল।

সে দুই মাস হা’জ’ত বাস করে জামিনে ছিল। পরবর্তীতে ভিকটিমের মোবাইল সেটের আইএমই নম্বর ট্র্যাকিং করে লা’শ গু’মের তথ্য উদঘাটনের পর লা’শ উ’ত্তো’লন করা হল। এ ঘটনায় রায়চরনের ভাই বিচরণ বিশ্বাস খু’নির ফাঁ’সি দাবি করেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন