বেড়েই চলেছে দিল্লিতে নি’হ’তের সংখ্যা, উ’দ্বে’গ জানালো জাতিসংঘ!

প্রকাশিত: ফেব্রু ২৮, ২০২০ / ০২:১৪পূর্বাহ্ণ
বেড়েই চলেছে দিল্লিতে নি’হ’তের সংখ্যা, উ’দ্বে’গ জানালো জাতিসংঘ!

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মুসলমানদের ওপর চালানো স’হিং’স’তায় লাশের মি’ছি’ল বড় হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব দিল্লির দা’ঙ্গা’ক’বলিত এলাকা থেকে একের পর এক লা’শ বেরিয়ে আসছে।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনে ৩৮ জনের মৃ’ত্যু’র খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকের অবস্থা আ’শ’ঙ্কাজনক। দিল্লির এ পরিস্থিতিতে উ’দ্বে’গ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

বিবিসির খবরে বলা হয়, র’ক্ত’ক্ষ’য়ী সং’ঘ’র্ষে উত্তর-পূর্ব দিল্লির ভজনপুরা, মৌজপুর, কারাওয়ালনগর, মুস্তাফাবাদসহ কয়েকটি এলাকা বি’ধ্ব’স্ত জনপদে পরিণত হয়েছে। মুস্তাফাবাদে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বি’রো’ধীদের ওপর এ’সি’ড হা’ম’লা করা হয়েছে। এতে চারজন দৃ’ষ্টি’শক্তি হারিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফর চলাকালে দিল্লিতে সিএএ সমর্থক ও বি’রো’ধীদের পা’ল্টা’পাল্টি মি’ছিল থেকে সং’ঘ’র্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হিন্দু-মুসলিম দা’ঙ্গা’য় রূপ নেয়। বুধবার রাতে মুসলিম অধ্যুষিত উত্তর-পূর্ব দিল্লির ভজনপুরা, মৌজপুর ও কারাওয়ালনগরে অ’গ্নি’সংযোগ ও সং’ঘ’র্ষে’র ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার গগন বিহার-জোহরিপুর এলাকার একটি ড্রেন থেকে দুটি লা’শ পাওয়া যায়। পে’ট্র’ল’বো’মা ছোড়া, গাড়ি জ্বা’লিয়ে তা’ণ্ড’বের পাশাপাশি এবার এ’সি’ড হা’ম’লা’র পথে নেমেছে বি’ক্ষো’ভ’কারীরা। মুস্তাফাবাদের অনেক জায়গায় এসিড হা’ম’লার খবর পাওয়া গেছে। এ’সি’ডে অনেকের চোখ-মুখ, গোটা শরীর ঝ’ল’সে দেয়া হয়েছে।

দিল্লির তেগবাহাদুর হাসপাতালে এ’সি’ড ক্ষ’ত নিয়ে ভর্তি অনেকে। এ’সি’ড হা’ম’লায় চারজন হারিয়েছেন দৃ’ষ্ট’শক্তি। জ্বা’লা’পো’ড়া ক্ষ’ত নিয়ে রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। খুরশিদ নামে একজনের দুই চোখই ন’ষ্ট হয়েছে। দুই চোখসহ পুরো মুখ ঝ’ল’সে গেছে ওয়াকিলের। জাফরাবাদ-মৌজপুরে এখন শ্ম’শা’নের নী’র’বতা বি’রাজ করছে।

মুস্তাফাবাদের গুরু তেগবাহাদুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালে ৩০ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। মৃ’ত’দের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। গু’লি’বি’দ্ধ ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া এলএনজেপি হাসপাতালে দুইজন এবং জগ পরবেশ চন্দ্র হাসপাতালে একজনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

মৌজপুরের দোকানের মালিক কোন ধর্মের তা দেখেই আ’গু’ন লাগানো হয়েছে। এ পাড়ায় ধর্মের জো’রে যাদের দোকান বেঁচেছে, অন্যগলিতে সেই ধর্মের জে’রেই দোকান পু’ড়ে’ছে। জাফরাবাদের এক বাসিন্দা বলেন, ‘ভেতরের মহল্লায় অ’শা’ন্তি চলছে। কোথায় কতজনের দে’হ পড়ে রয়েছে কেউ জানে না। পুলিশ এখনও ঢুকতে পারেনি ভেতরে।

জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস নিবিড়ভাবে দিল্লি পরিস্থিতি নজরে রেখেছেন। বি’ক্ষো’ভ’কারীদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে বি’ক্ষো’ভ করতে দেয়া এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সংযত থাকা উচিত- এ বিষয়টির ওপরই গুতেরেস জো’র দিচ্ছেন।

সেইসঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব শান্ত পরিবেশ এবং স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা জরুরি বলেও গুতেরেস মত দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার মুখপাত্র।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন