পাপিয়ার মোবাইল ফোন ঠাঁ’সা অ’শ্লীল ভিডিওতে

প্রকাশিত: ফেব্রু ২৫, ২০২০ / ১২:৩৪অপরাহ্ণ
পাপিয়ার মোবাইল ফোন ঠাঁ’সা অ’শ্লীল ভিডিওতে

র‌্যা’বের হাতে গ্রে’ফতার যুবলীগ নেত্রী পাপিয়ার কাছে থাকা মোবাইল ফোনে বেশ কিছু অ’শ্লীল ভিডিও পাওয়া গেছে। এরমধ্যেই কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যা’ব-এর অধিনায়ক লে’ফটেন্যান্ট ক’র্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যা’বের মিডিয়া সেন্টারে সং’বাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। র‌্যা’ব-এর অধিনায়ক লে’ফটেন্যান্ট ক’র্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, শামিমা নূর পাপিয়ার নিজ মোবাইলে বেশ কিছু অ’শ্লীল ভিডিও পাওয়া গেছে। ওই ভিডিও থেকে কয়েকটি এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। তবে এই ধরণের ভিডিও যে কোনো নারী’র জন্য আ’পত্তিকর ও অ’নৈতিক।

র‌্যা’ব জানায়, যুবলীগ নেত্রী পাপিয়া প্র’কাশ্য আয়ের উৎস গাড়ি বিক্রি ও সার্ভিসিংয়ের ব্যবসা। তবে এর আড়ালে তিনি মূলত অ’বৈধ অ’স্ত্র ও মা’দকের ব্যবসা করতেন। কোনো কাজ বাগিয়ে নিতে পাঁচতারকা হোটেলে সুন্দরী ত’রুণীদের পাঠিয়ে ম’নোরঞ্জন করতেন সংশ্নিষ্ট ব্যক্তিদের। তার বৈ’ধ আয় অনুযায়ী পাপিয়ার বার্ষিক আয় মাত্র ১৯ লাখ টাকা। অথচ রাজধানীর অভিজাত একটি হোটেলে শুধুমাত্র গত তিন মাসে তিনি বিল পরিশোধ করেছেন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

গো’য়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব ব্যাপারে অ’নুসন্ধান করছিল র‌্যা’বের একটি দল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে শনিবার সকালে তড়িঘড়ি করে দে’শত্যা’গের চে’ষ্টা চা’লান পাপিয়া। তবে শেষ র’ক্ষা হ’য়নি।

অবশেষে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গো’পনে দেশত্যাগের সময় নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সেক্রেটারি শামিমা নূর পাপিয়াকে তিন সহযোগীসহ গ্রে’ফতার করে র‌্যা’ব। তাদের কাছে পাওয়া গেছে সাতটি পাসপোর্ট, বাংলাদেশি দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ জাল টাকা, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ মার্কিন ডলার ও সাতটি মোবাইল ফোন।

র‌্যা’ব-এর অধিনায়ক লে’ফটেন্যান্ট ক’র্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, পাপিয়ার আয়কর ফাইল তলব করে দেখা গেছে, সেখানে তিনি বছরে ২২ লাখ টাকা আয় দেখিয়েছেন। অথচ তাঁর প্রতিদিন বারের বিলই আসে আড়াই লাখ টাকা। এত টাকার উৎস কোথায়? জানতে চাইলে পাপিয়া র‌্যা’বকে জানিয়েছেন, যাঁরা হোটেলে আসতেন, তাঁদের কাছে ‘মে’য়ে’ পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এরপর অ’শ্লীল ভিডিও তু’লে ওই সব ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হতো। লোকলজ্জার ভ’য়ে কেউ মু’খ খু’লত না।

এ রকম সাতজন উ’ঠতি বয়সী ত’রুণীর স’ঙ্গে র‌্যা’বের কথা বলা সম্ভব হয়েছে, যাঁদের মাসে ৩০ হাজার টাকা করে দিতেন পাপিয়া। বিনিময়ে তাঁদের ব্যবহার করা হতো। কেউ রাজি না হলে তাঁদের লা’ঠি দিয়ে পে’টাতেন পাপিয়া। আবার কোনো কোনো মে’য়ের আ’পত্তিকর ছবি ‘বড়লোক’ কা’স্টমারদের মুঠোফোনে পাঠিয়ে দিয়ে আগ্রহ তৈরি করতেন। এরপর ওই লোকগুলো এলে তাঁদের জি’ম্মি করা হতো।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন