অজ্ঞাত রোগে ম’রে যাচ্ছে কুকুর! জনমনে আ’তঙ্ক

প্রকাশিত: ফেব্রু ২৩, ২০২০ / ০৬:৫০অপরাহ্ণ
অজ্ঞাত রোগে ম’রে যাচ্ছে কুকুর! জনমনে আ’তঙ্ক

ভোলার মনপুরায় অ’জ্ঞাত রো’গে মরে যাচ্ছে কুকুর। স্থানীয়রা প্রথমে স্বাভাবিক মৃ’ত্যু বলে ধরে নিলেও একের পর এক কুকুর মা’রা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আ’ত’ঙ্ক বিরাজ করছে।

গত ১০-১২ দিনে উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গৃহপালিত কুকুরসহ শতাধিকের ওপর বেওয়ারিশ কুকুর মা’রা গেছে।

অনেকের মতে গত দুই মাস আগে প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে গৃহপালিত ও বেওয়ারিশ কুকুর ধরে ভ্যাকসিন দেয়ার পর এ ঘটনা ঘটছে।

এ দিকে এ ঘটনায় সরেজমিন পরিদর্শনের পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন।

মনপুরা ছমেদপুর বাংলাবাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অনুপম দাস বলেন, আমি ২টি কেশওয়ালা কুকুরের বাচ্চা সংগ্রহ করে নিজ বাড়িতে পালছিলাম। ভ্যাকসিন দেয়ার ১৫ দিন পর হঠাৎ করে কুকুর দুটো অসুস্থ হয়ে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিল। পরে ২/১ দিনের ব্যবধানে কুকুর দুটো মা’রা গেছে।

এ ছাড়াও হাজীরহাট ইউনিয়নের ব্যবসায়ী মনির, শাজাহান, চৌধুরী বাজারের ফারুক, কামাল জানান, ভ্যাকসিন দেয়ার ১৫-২০ দিন পর একের পর এক বাজারের বেওয়ারিশ কুকুরগুলো ম’রে গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাজীরহাট ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহীম, সাধন স্বর্ণকার এবং মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. হুমায়ুন কবিরের পালিত কুকুরও মা’রা গেছে।

এ ছাড়াও চরজ্ঞান এলাকার ইউছুপ, বেচু মিয়া এবং চরযতিন এলাকার আ. রহমান বিপ্লব ও মোস্তফা হাজীর কুকুর মা’রা গেছে। এদের সবার কুকুরের ভ্যাকসিন দেয়ার পরই অজ্ঞাত রো’গে মা’রা যায়।

স্থানীয় গৃহিণী নাজমুন নাহার রুমা বলেন, আমরা একটি কেশওয়ালা কুকুরের বাচ্চা এনেছিলাম। কুকুরটি শখের বশে পালতে শুরু করলেও কয়েকদিন আগে কুকুরটি মা’রা যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আবদুল কুদ্দুস যুগান্তরকে বলেন, মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল থেকে লোক এসে কুকুর ধরে অ্যান্টি-রেভিস ভ্যাকসিন দেয়। কী কারণে কুকুর ম’রে যাচ্ছে তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। ম’রে যাওয়া কুকুর সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখা হবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন