এসএসসি পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীর মাথা র’ক্তা’ক্ত করলেন শিক্ষক!

প্রকাশিত: ফেব্রু ১৭, ২০২০ / ০৭:২২অপরাহ্ণ
এসএসসি পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীর মাথা র’ক্তা’ক্ত করলেন শিক্ষক!

এসএসসি পরীক্ষার্থীকে মাথায় ক্লিপবোর্ড নি’ক্ষেপ করে মা’রা’ত্মক জ’খ’ম করে র’ক্তা’ক্ত করলেন কেন্দ্রে দায়িত্বরত এক শিক্ষক।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে মাদারীপুরে আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

পরে কেন্দ্র সচিব ও উপজেলা প্রশাসন, অভিযুক্ত শিক্ষককে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, পরীক্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ১০টার দিকে আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ের শিক্ষার্থী রাকিবুল মৃধাসহ অন্যরাও পরীক্ষায় অংশ নিতে কক্ষে প্রবেশ করে। এ সময় রাকিবুল মৃধা উত্তরপত্র সম্পূর্ণ করছিলেন না অ’ভি’যো’গে ওই কক্ষের শিক্ষক পরিদর্শক আবুল হোসেন তার ওপর ক্ষে’পে যান।

একপর্যায়ে শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত ক্লিপবোর্ড তাকে ছুঁ’ড়ে মারে। এতে ক্লিপবোর্ডের লোহার পাতে শিক্ষার্থীর ‘মাথা কে’টে রক্ত ঝড়তে থাকে। পরে অন্য শিক্ষকরা দ্রুত এগিয়ে এসে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করান। এতে প্রায় আধ ঘণ্টা পরে ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

কেন্দ্রের সহকারী সচিব মো. হুমায়ন কবির তাৎক্ষণিক অ’ভি’যু’ক্ত শিক্ষক আবুল হোসেনকে সব ধরনের পরীক্ষা থেকে অব্যাহতিসহ খণ্ডকালীন নিয়োগ স্থগিত করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষো’ভে ফুঁ’সে উঠে।

আ’হ’ত শিক্ষার্থী মাদারীপুর পৌর শহরের ইউনাইটেড ইসলামিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সে সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের পূর্ব রাস্তি গ্রামের জব্বার মৃধার ছেলে।

আর অ’ভি’যু’ক্ত শিক্ষক আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের খণ্ডকালীন ইংরেজি শিক্ষক। এ ঘটনার পর ওই কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক আবুল হোসেন জানান, ‘আমি ইচ্ছে করে ওই শিক্ষার্থীকে হার্ডবোর্ড নিক্ষেপ করিনি। ওই ছাত্রকে বারবার বলার পরও উত্তরপত্রের ওয়েমার ঠিক করছিল না। পরে তার হার্ডবোর্ড রাগ হয়ে ছুঁড়ে মারলে কিছুটা কেটে গেছে। এর জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’

সহকারী কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মো. হুমায়ন কবির বলেন, ‘আমি তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিক্ষককে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। ওই শিক্ষক আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের খণ্ডকালীন ইংরেজির শিক্ষক। তাকে ওই স্কুল থেকেও অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হবে বলে জানান অধ্যক্ষ।’

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন