পঙ্গপাল ধেয়ে আসছে ভারতের দিকে

প্রকাশিত: ফেব্রু ১১, ২০২০ / ০৩:২৫অপরাহ্ণ
পঙ্গপাল ধেয়ে আসছে ভারতের দিকে 

পঙ্গপালের আ’ক্রমণের ঝুঁ’কিতে পড়েছে ভারত। দুই দফায় দেশটির ও’পর পঙ্গপাল আ’ক্রমণ করতে পারে বলে সতর্কতা জারি হয়েছে। আগামী মে মাসের শুরু থেকে এই দু’র্যোগের মুখে পড়তে হবে প্রতিবেশী দেশটিকে।সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (ফাও) এ বি’ষয়ক সতর্কতা জারি করেছে। যদিও নয়াদিল্লির শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত প্রস্তুত।

ফাও’র পঙ্গপালবি’ষয়ক জ্যেষ্ঠ পূর্বাভাস কর্মকর্তা কেইথ ক্রেসম্যান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এ বছর দুই দফায় পঙ্গপালের আ’ক্রমণের ঝুঁ’কি তৈরি হয়েছে। এই পঙ্গপাল তেড়ে আসবে ইরান ও হর্ন অব আফ্রিকা (জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া ও সোমালিয়া) অঞ্চলের মরুভূমি থেকে।

পঙ্গপালের আ’ক্রমণে জন-জীবন যেমন বি’পর্যস্ত হয়, তেমনি ব্যাপক ক্ষ’তির মুখে পড়ে ফসল। ঝাঁকে ঝাঁকে আসা পঙ্গপাল ন’ষ্ট করে ফে’লে জমি বা বাগানের ফসল। এতে খাদ্যশস্য বিন’ষ্ট হয়ে যায়।

সম্প্রতি পাকিস্তানও এই পঙ্গপালের আ’ক্রমণের মুখে পড়ে। দেশটির পূর্বাঞ্চলের সিন্ধু প্রদেশে প্রথমে এ আ’ক্রমণ শুরু হলেও ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন অংশে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকার জরুরি অবস্থা জারি করে।

ফাও বলছে, কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভ’য়াবহ পঙ্গপালের আ’ক্রমণের মুখে পড়েছে বিশ্ব। এ কারণে কয়েক মিলিয়ন মানুষ রয়েছেন খাদ্য সংকটে পড়ার ঝুঁ’কিতে। এই বি’পদ বেশি ভোগাতে পারে আফ্রিকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে।

সেজন্য পঙ্গপালের কারণে সৃষ্ট বি’পর্যয় মোকাবিলায় ৭ কোটি ডলারের তহবিল গঠনের আহ্বান জানিয়েছে ফাও ও জাতিসংঘ।

বিশ্বজুড়ে পঙ্গপালের এমন উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার পেছনে ভারী বর্ষণ ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দু’র্যোগকে দায়ী করছে ফাও। তারা বলছে, প্রাকৃতিক দু’র্যোগের কারণে পঙ্গপালের প্রজনন বেড়ে গেছে হু হু করে।

ব্রাজিলে এ কোন নতুন ভাইরাস? সম্প্রতি ব্রাজিলের বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধরনের ভাইরাস আবি’ষ্কার করেছেন। এটি সম্পূর্ণ অস্বীকৃত জিন দিয়ে তৈরি যার ৯০ শতাংশই বিজ্ঞানীদের অজানা। আজ পর্যন্ত যেসব গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়া গেছে তাতে এই ভাইরাসটির বি’ষয়ে কিছু বলা নেই।

রাশিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরটি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞানীরা নতুন প্রজাতির এই ভাইরাসটির নাম দিয়েছেন ‘ইয়ারাভাইরাস ব্রাসিলিয়েনসিস’ বা ‘ইয়ারাভাইরাস’। ব্রাজিলের উপকথার দেবতা নামানুসারে এই নামকরণ করা হয়েছে।

ব্রাজিলের বেলো হরিজোনটে শহরের পামপুলহা লেক থেকে নতুন প্রজাতির এই ভাইরাসটি আবি’ষ্কার করেন বিজ্ঞানীরা।

আরটি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরে বিভিন্ন প্রজাতির ভাইরাস আবি’ষ্কার করেছেন ভাইরাসবিদ ও গবেষকরা। এর মধ্যে একটি প্রজাতির নাম দেয়া হয়েছে জায়ান্ট ভাইরাস। তবে মানবদেহের ধ্বং’সাত্মক কাজের জন্য নয়, অপেক্ষাকৃত বড় প্রোটিন শেলের কারণে এই নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

এই জায়ান্ট ভাইরাসের জিনোম (জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা) জটিল প্রকৃতির। তাদের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বিজ্ঞানীদের ধারণার বাইরে বা সাধারণ ভাইরাসের মতো নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নিজস্ব ডিএনএ পুনর্গঠন বা নকল করতে সক্ষম এই ভাইরাস। তবে নতুন আবি’ষ্কৃত ইয়ারাভাইরাস জায়ান্ট ভাইরাস থেকে ভিন্ন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন