শুরুতেই আবিদ আালিকে ফেরালেন জায়েদ

প্রকাশিত: ফেব্রু ৮, ২০২০ / ১২:০৭অপরাহ্ণ
শুরুতেই আবিদ আালিকে ফেরালেন জায়েদ

রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সাফল্য পেল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আঘাত হানেন আবু জায়েদ রাহী। রাহীর বলে স্বাগতিক ওপেনার আবিদ আলি ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সাজঘরে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার প্রথম ইনিংসে ২৩৩ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। দিনের শেষভাগে সাত ওভারের মতো বাকি থাকলেও আলো স্বল্পতার কারণে আর ব্যাটিংয়ে নামতে পারেনি পাকিস্তান। আজ শনিবার সকালে প্রথম ইনিংসে নেমেছে স্বাগতিকরা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ এক উইকেট হারিয়ে ১৫ রান।

রাওয়ালপিন্ডিতে গতকাল টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। হারায় অভিষেক হওয়া সাইফ হাসানকে। তামিমের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে মাত্র দুই বল মোকাবিলা করেছেন তিনি। শাহিন শাহ আফ্রিদির অফ স্টাম্পের বাইরের বল জায়গায় দাঁড়িয়ে মোকাবিলা করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু টাইমিং ঠিক ছিল না। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় দ্বিতীয় স্লিপে থাকা আসাদ শফিকের হাতে।

সাইফের পর উইকেটে থিতু হতে পারেননি তামিমও। কদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকানো বাঁহাতি ওপেনার ফেরেন তিন রানে।

হাল ধরতে পারলেন না অধিনায়ক মুমিনুল হকও। লড়াইয়ের আশা জাগিয়ে আফ্রিদির বলেই ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ৫৯ বলে ২৮ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর বিপর্যয় এড়ানোর চেষ্টা করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ। দুই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান তৃতীয় উইকেটে গড়েন ৫০ রানের জুটি। তাঁদের ব্যাটে ভর করে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে মধ্যাহ্ণ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

কিন্তু বিরতি থেকে ফিরেই আবারও উইকেট বিলাতে শুরু করেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। টেস্টে আগের চার ইনিংসে সব মিলিয়ে ৪৮ রান করা শান্ত ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু টিকে থাকতে পারলেন না। বিরতির পর পরই আউট হন তরুণ এই ওপেনার। ফেরার আগে ছয় বাউন্ডারিতে ৪৪ রান করেন তিনি।

শান্তকে সঙ্গ দেওয়া মাহমুদউল্লাহও বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। ৪৮ বল মোকাবিলা করে ফিরে যান তিনিও। এরপর মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে হাল ধরার চেষ্টা করেন লিটন দাস। কিন্তু তাঁর চেষ্টা দীর্ঘ হলো না। ৫৪ রানের প্রতিরোধ গড়া জুটি ভাঙেন হারিস সোহেল।

চা-বিরতিতে যাওয়ার আগেই ছয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর তাইজুলকে নিয়ে দলকে টানেন মিঠুন। দারুণ সঙ্গ দেন তাইজুলও। তাতে সপ্তম উইকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেরা জুটি পায় বাংলাদেশ। সপ্তম উইকেটে এর আগে সেরা জুটি ছিল সাকিব-শুভাগত হোমের অবিচ্ছিন্ন ৩১ রানের জুটি। ২০১৫ সালে খুলনা টেস্টে দুজন করেছিলেন তা। এবার তাদের ছাড়িয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন মিঠুন-তাইজুল। কিন্তু শেষ বিকেলে এই জুটি ভাঙলে ২৩৩ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ : ২৩৩/১০ (তামিম ৩, সাইফ ০, শান্ত ৪৪, মুমিনুল ৩০, মাদমুদউল্লাহ ২৫, মিঠুন ৬৩, লিটন ৩৩, তাইজুল ২৪, রুবেল ১, রাহী ০, এবাদত ০; আফ্রিদি ২১.৫- ৩-৫৩-৪, আব্বাস ১৭-৯-১৯-২, নাসিম ১৬-০-৬১-১, ইয়াসির ২২-২-৮৩-০, সোহেল ৬-২-১১-২)।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন