রি’ফাতকে হ’ত্যার একদিন আগে ডি’ভোর্স চেয়েছিলেন মিন্নি

প্রকাশিত: ফেব্রু ৪, ২০২০ / ০৯:৫৯অপরাহ্ণ
রি’ফাতকে হ’ত্যার একদিন আগে ডি’ভোর্স চেয়েছিলেন মিন্নি

হ’ত্যা’কা’ণ্ডের আগের দিন ২৫ জুন দুপুরে রিফাত ও মিন্নি রিফাতের ফুফাত বোন হ্যাপি বেগমের বাসায় গিয়েছিলেন। সেখানে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। মিন্নি স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু রিফাত তাতে রাজি ছিলেন না। এ কারণে ওইদিন মি’ন্নি রিফাতের কাছে ডি’ভো’র্স চেয়েছিলেন।

বরগুনার চা’ঞ্চ’ল্যকর রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’ম’লায় গতকাল রোববার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে এমনই সাক্ষ্য দিয়েছেন হ্যাপি বেগম।

একইদিন আদালতে এ হ’ত্যা মা’ম’লায় আরও দুজনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। তারা হলেন- বরগুনা পৌর কাউন্সিলর ফারুক শিকদার ও জয় চন্দ্র রায়।

সাক্ষ্য প্রদানকালে মা’ম’লার অন্যতম আ’সা’মি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ৯ আ’সা’মি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ পর্যন্ত ৩৮ জনের সাক্ষ্য ও জেরা সমাপ্ত হয়েছে।

এদিকে একই আদালতে গতকাল আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জা’মিন বাতিলের আবেদনের শুনানি করে সাক্ষীকে হু’ম’কির অ’ভি’যোগ তদন্তের আদেশ দিয়েছেন বিচারক মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ জুন রিফাতকে বরগুনার রাস্তায় প্রকাশ্যে কু’পি’য়ে হ’ত্যা করা হয়। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

পর দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ ১২ জনকে আ’সা’মি করে একটি মা’ম’লা করেন, তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল মিন্নিকে।

পরে মিন্নির শ্বশুর তার ছেলেকে হ’ত্যা’য় পুত্রবধূর জড়িত থাকার অ’ভি’যো’গ তুলে সংবাদ সম্মেলন করলে ঘটনা নতুন দিকে মোড় নেয়।

গত ১৬ জুলাই মিন্নিকে বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর এ মা’ম’লা’য় তাকে গ্রে’ফ’তা’র দেখানো হয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন