আরও ৩১৬ জন চীন থেকে দেশে ফিরেছেন

প্রকাশিত: ফেব্রু ১, ২০২০ / ১১:৫৪অপরাহ্ণ
আরও ৩১৬ জন চীন থেকে দেশে ফিরেছেন

চীন থেকে দেশে ফিরলেন ৩১৬ জন বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ৩০১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ১৫ জন শিশু, যাদের তিনজনের বয়স দুই বছরের কম। তাদের সঙ্গে চারজন চিকিৎসকও রয়েছেন।

মারাত্মক করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল উহান থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটে শনিবার দেশে পৌঁছেন তারা। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন মুখপাত্র এ কথা জানান।

বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর বিমান পরিচালিত বিবি-৭০০২ ফ্লাইট এদিন দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) পৌঁছে। ১৫ ক্রু সদস্য ও চারজন চিকিৎসকসহ ফ্লাইটটি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এখান থেকে উহানের উদ্দেশে রওয়ানা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, দেশে এনে তাদের আশকোনা হজক্যাম্পে ১৪ দিন বিচ্ছিন্ন রাখা হবে। গতকাল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, যারা ফেরত আসছেন, তারা অসুস্থ না। তবে আমরা ঝুঁকি নেব না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশিদের বিশেষত চীনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ভাগ্য নিয়ে চিন্তিত হয়ে পরেন। যেসব বাংলাদেশি ফেরত আসায় আগ্রহী তাদের ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেন উনি।

তিনি বলেন, ইতোপূর্বে চীন সরকার আমাদের জানিয়েছে, তারা ১৪ দিনের আগে কাউকে উহান ত্যাগের অনুমোদন দেবে না। তবে গতরাতে জানিয়েছে, আমাদের নাগরিকদের শুক্রবার রাতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, চীনের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করা হলে উনি আমাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার এ সুযোগ কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ফেরত আসা নাগরিকদের বিচ্ছিন্ন রাখার হজক্যাম্পের সবরকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, তাদের নজরে রাখা হবে এবং পরীক্ষা করা হবে। তারা ভাইরাসমুক্ত প্রমাণিত হলে ১৪ দিন পর ওদের যেতে দেয়া হবে।

সম্প্রতি তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল উহান নগরীতে যারা অসহায় অবস্থায় আটকে পড়ে আছেন, তাদের প্রতি গুরুত্ব দেবে। চীনের অন্যান্য অংশে বসবাসকারীদের ফেরত আনার প্রয়োজন হবে না।

ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, অন্যান্য দেশের মতো চীনে ফ্লাইট বাতিল করার কোনো পরিকল্পনা বাংলাদেশের নেই। উহানের সঙ্গে আমাদের সরাসরি কোনো ফ্লাইট নেই। চীনের কোনো ফ্লাইট আমরা বাতিল করব না। তবে এ মুহূর্তে আমাদের নাগরিকদের সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে আমরা নিরুৎসাহিত করছি।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন