ডেসটিনির এমডি রফিকুলের ৩ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত: জানু ২৮, ২০২০ / ০৫:৫১অপরাহ্ণ
ডেসটিনির এমডি রফিকুলের ৩ বছর কারাদণ্ড

সম্পদের তথ্য বিবরণী দাখিল না করায় দুদকের মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনের ৩ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শামীম আহাম্মাদ এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২০১২ সালের ৩১ জুলাই রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইনসহ ডেসটিনি গ্রুপের ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুদক।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ (এমএলএম) ও ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দুটি করা হয়।

ওই বছরের ১১ অক্টোবর তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০১৬ সালের ১৬ জুন মামলা দুটির তদন্ত চলাকালে রফিকুল আমীনের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১৮ কোটি দুই লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদক নোটিশ দেয়। সাত দিনের মধ্যে তাকে তথ্যবিবরণী জমা দিতে বলা হয়।

তথ্যবিবরণী জমা না দিয়ে কারাবন্দি রফিকুল আমীন সময়ের আবেদন করলে তাকে আরও সাত দিনের সময় দেয় দুদক। এরপরও সম্পদের তথ্যবিবরণী জমা না দেয়ায় ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় এই মামলা করে দুদক।

২০১৭ সালের ৬ জুন রফিকুল আমীনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। পরের বছরের ১২ মার্চ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এ মামলায় বিভিন্ন সময়ে পাঁচজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ডেসটিনির এমডি রফিকুলের ৩ বছর কারাদণ্ড

সম্পদের তথ্য বিবরণী দাখিল না করায় দুদকের মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনের ৩ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শামীম আহাম্মাদ এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২০১২ সালের ৩১ জুলাই রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইনসহ ডেসটিনি গ্রুপের ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুদক।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ (এমএলএম) ও ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দুটি করা হয়।

ওই বছরের ১১ অক্টোবর তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০১৬ সালের ১৬ জুন মামলা দুটির তদন্ত চলাকালে রফিকুল আমীনের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১৮ কোটি দুই লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদক নোটিশ দেয়। সাত দিনের মধ্যে তাকে তথ্যবিবরণী জমা দিতে বলা হয়।

তথ্যবিবরণী জমা না দিয়ে কারাবন্দি রফিকুল আমীন সময়ের আবেদন করলে তাকে আরও সাত দিনের সময় দেয় দুদক। এরপরও সম্পদের তথ্যবিবরণী জমা না দেয়ায় ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় এই মামলা করে দুদক।

২০১৭ সালের ৬ জুন রফিকুল আমীনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। পরের বছরের ১২ মার্চ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এ মামলায় বিভিন্ন সময়ে পাঁচজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন