পুলিশের ভুলে জে’ল খাটছেন নির’পরাধ চা বিক্রেতা

প্রকাশিত: জানু ২২, ২০২০ / ০১:৪৬পূর্বাহ্ণ
পুলিশের ভুলে জে’ল খাটছেন নির’পরাধ চা বিক্রেতা

পুলিশের ভুলে প্রকৃত আ’সা’মির প’রিবর্তে জেল খাটছেন এক চা বিক্রেতা। আ’সা’মির সঙ্গে নাম ও বাবার নামের মিল থাকায় গত পাঁচ দিন ধরে জে’লে তিনি।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে গাজীপুরের শ্রীপুরে নিজের চায়ের দোকান থেকে রফিকুল ইসলামকে গ্রে’ফ’তা’র করে শ্রীপুর থানার পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, মামলার মূল আসামি রফিকুল ইসলামের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৯৮০৩৩২৮৬০৮০৪১৮৯৭। সে অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ৬ জানুয়ারি ১৯৮০। আর বাবা নুর মোহাম্মদ, মা রহিমা খাতুন। ভোটার সিরিয়াল নং- ১৬১১।

এদিকে পুলিশের ভুলে গ্রে’ফ’তা’র হওয়া মো. রফিকুল ইসলাম কেওয়া পশ্চিম খন্ড মসজিদ মোড় এলাকার বাসিন্দা। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার জন্ম ২ এপ্রিল ১৯৭৭। বাবার নাম নুর মোহাম্মদ, মায়ের নাম জামিনা খাতুন।

জানা যায়, তিন-চার বছর আগে অবৈধ করাতকলে গজারী গাছ চেড়াইয়ের অ’ভি’যোগে শ্রীপুর পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের কেওয়া পশ্চিম খন্ডের রফিকুল ইসলামকে আ’সা’মি করে মা’ম’লা করে শ্রীপুর বনবিভাগ। পরবর্তীতে রফিকুল ইসলামের বি’রু’দ্ধে’ এ মা’ম’লায় গ্রে’ফ’তারি পরো’য়ানা জা’রি করেন আদালত।

এরপর শুক্রবার শ্রীপুর থানার এএসআই কফিল উদ্দিন ‘আ’সা’মি গ্রে’ফ’তা’রে কেওয়া পশ্চিম খন্ড গ্রামের মসজিদ মোড় এলাকায় যান। সেখান গিয়ে তিনি নুর মোহাম্মদের ছেলে রফিকুলকে খুঁজতে থাকেন। মসজিদ মোড়ের পাশেই চা বিক্রেতা রফিকুল ইসলামের বি’রু’দ্ধে গ্রে’ফ’তা’রি প’রো’য়ানা আছে বলে জানান। পরে তাকে আ’ট’ক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বললে স্থানীয়রা জানান, তিনি কখনই কাঠের ব্যবসা করেননি এবং মূল আ’সা’মি তিনি নন।

এসময় চা দোকানি রফিকুলও পুলিশের কাছে অনুনয় বিনয় করেন যে, তিনি আ’সা’মি নন। কিন্তু পুলিশ কারও কথা না শুনে রফিকুলকে গ্রে’ফ’তার করে থানায় নিয়ে যায়।

মা’ম’লার প্রকৃত আ’সা’মি রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘ ২০ থেকে ২২ বছর ধরে কাঠের ব্যবসা করছেন। এ পর্যন্ত বন বিভাগ কারণে অকারণে কয়েকটি মা’ম’লা দিয়েছে।

যে মা’ম’লাতে পুলিশ ভুল করে চা বিক্রেতা রফিকুলকে গ্রে’ফ’তার করেছে সেই মা’ম’লায় তিনি জামিনে রয়েছেন। জামিনে থাকার পরও পুলিশের এমন আচ’রণে হত’বাক হয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কফিল উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন