বাংলাদেশ দল পাকিস্তানের চেয়ে বেশি অভিজ্ঞ

প্রকাশিত: জানু ২১, ২০২০ / ১১:১৫অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ দল পাকিস্তানের চেয়ে বেশি অভিজ্ঞ

আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে জাতীয় দলের বাইরে থাকায় পাকিস্তান সফরে নেই সাকিব আল হাসান। অন্যদিকে পারিবারিক কারণে পাকিস্তান সফরে যাওয়া হচ্ছে না মুশফিকুর রহিমের। সাকিব-মুশফিক নেই বলেই যে বাংলাদেশ দল পাকিস্তানের চেয়ে দুর্বল এটা ভাবার কোনো কারণে নেই।

সাকিব-মুশফিক ছাড়া জাতীয় দলের সবাই রয়েছেন পাকিস্তান সফরের দলে। ম্যাচ খেলার দিক থেকে পাকিস্তানের চেয়ে বেশি অভিজ্ঞ বাংলাদেশ দল।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যে স্কোয়াড ঘোষণা করেছে, তুলনামূলক বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা পাকিস্তানিদের চেয়ে ম্যাচ খেলায় বেশি অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশের চূড়ান্ত দলে থাকা ১৫ জন ক্রিকেটার খেলেছেন ৩৭০টি ম্যাচ আর পাকিস্তান দলে থাকা ক্রিকেটাররা খেলেছেন ৩৫৩টি ম্যাচ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তানের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার শোয়েব মালিক। পাকিস্তানের সাবেক এ অধিনায়ক সর্বোচ্চ ১১১টি ম্যাচ খেলেছেন। এ ছাড়া পাকিস্তানের সাবেক আরেক অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজ খেলেছেন ৮৯টি ম্যাচ। ৪১, ৩৮ ও ৩৬টি ম্যাচ খেলায় অভিজ্ঞ ইমাদ ওয়াসিম, শাদাব খান ও অধিনায়ক বাবর আজম।

অন্যদিকে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ খেলেছেন সর্বোচ্চ ৮৩টি ম্যাচ, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৫টি ম্যাচ খেলায় অভিজ্ঞ দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। ৪৬টি ম্যাচ খেলেছেন ওপেনার সৌম্য সরকার। আর ৩৭, ২৮, ২৭ ও ২৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলায় অভিজ্ঞ মোস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন, রুবেল হোসেন ও লিটন দাস।

এ ছাড়া শফিউল ইসলাম, মোহাম্মদ মিঠুনরা ১৭ ও ১৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলায় অভিজ্ঞ। বাংলাদেশ দলে একমাত্র নবীন হাসান মাহমুদ। হয়তো পাকিস্তান সফরে তার অভিষেক হতে পারে।

অন্যদিকে পাকিস্তান দলে চারজন ক্রিকেটার রয়েছেন যাদের একটি ম্যাচ খেলারও অভিজ্ঞতা নেই। হাসান আলী, আম্মাদ বাট, হারিস রউফ ও উসমান কাদেরের অভিষেক হতে পারে বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে।

বুধবার পাকিস্তানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। আগামী ২৪ জানুয়ারি লাহোরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। একই ভেন্যুতে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দুটি ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন