স্পিরিট পানে মৃত্যু! অবশেষে ৪ মাস পর লাশ উত্তোলন

প্রকাশিত: জানু ২১, ২০২০ / ১২:৪৬পূর্বাহ্ণ
স্পিরিট পানে মৃত্যু! অবশেষে ৪ মাস পর লাশ উত্তোলন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বসুরহাট বাজারে রফিক হোমিও হল নামের দোকান থেকে স্পিরিট পান করে ৬ জনের মৃ’ত্যু হয়।

এদের মধ্যে ঘটনায় ম’য়’না’তদন্ত ছাড়া দা’ফ’ন করা হয় ৪ জনকে। আদালতের নির্দেশে তাদের মধ্যে ২ জনের লা’শ উ’ত্তো’লন করা হয়েছে।

অপর দু’জনের লাশ মঙ্গলবার উত্তোলন করা হবে বলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকনুজ্জামান খান জানান।

সোমবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের ফয়েজ আহম্মদের ছেলে ড্রাইভার মহিন উদ্দিন (৪০) ও একই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বাগানবাড়ীর পার্শ্বে মৃত রইসুল হকের ছেলে সবুজের (৪৫) লা’শ ‘ক’বর থেকে উত্তোলন করা হয়।

উত্তোলনের পর লা’শ দুটি যথাযথভাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকনুজ্জামান খান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই মো. আনোয়ার হোসেনের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ম’য়’না’তদন্তের জন্য লাশ ম’র্গে পাঠানো হয়েছে।

অপর দু’জন হলেন চরকাঁকড়া গ্রামের মৃত আবদুল আজিজের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক (৭০), বসুরহাট পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের মৃ’ত আবদুর রহমানের ছেলে রাইটার ওমর ফারুক লিটনের (৫০)।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে বসুরহাট পৌরসভার রফিক হোমিও হল থেকে ক্রয় করা রেকটিফায়েড স্পিরিট (নেশা হিসেবে) পান করে নূরনবী মানিক, ওমর ফারুক লিটন, রবি লাল দে, মো. সবুজ, মহিন উদ্দিন ড্রাইভার ও মুক্তিযো’দ্ধা আবদুল খালেকসহ ৬ জন মারা যান।

নূরনবী মানিক ও রবি লাল দের লা’শের ম’য়’না’তদন্ত শেষে দাফন ও সৎ’কার করা হয়েছিল।

অপর ৪ জনের ম’য়’না’তদন্ত ছাড়াই লা’শ দা’ফন করায় আদালতের নির্দেশে তাদের লা’শ উত্তোলন করার বিষয়ে নোয়াখালীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিয়েছেন।

স্পিরিট পানে ৬ জনের মৃ’ত্যু’র ঘটনায় অ’ভি’যু’ক্ত রফিক হোমিও হলের মালিক কথিত হোমিও ডাক্তার সৈয়দ জাহেদ উল্যাহ ও তার ছেলে সৈয়দ মিজানুর রহমান প্রিয়ম নোয়াখালী কারাগারে আ’ট’ক রয়েছেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন