সাতবার এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েও পাস মার্ক ‘৩৩’ উঠল না

এমন একটা রাত কখনোই চাননি মুশফিকুর রহিম! যখন রাজশাহী রয়্যালস দলনেতার সঙ্গে ট্রফির ফাইনাল ফটোসেশন করেন তখনও তার মুখে ছিল চিরচেনা হাসি। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার খানিকটা বেশি সময়ের ব্যবধানে ওই হাসি হারিয়ে গেল তিক্ততার সাগরে।

মাথায় ভর করল হতাশার ভূত। এ তো সাতবারেও না পারার কষ্ট। এবারসহ মোট সাতবার বিপিএলের বিভিন্ন দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মুশফিক। কখনো মাঝপথে এসে তরী ডুবেছে, আবার কখনো তীরে এসে।

সবমিলে সাতবার এক বিষয়ে (বিপিএল) পরীক্ষা দিয়েও পাস মার্ক ৩৩ উঠানো গেল না। এই আক্ষেপটা হয়তো অনেক দিন তাড়িয়ে বেড়াবে মুশফিককে।

যদিও তিনি শক্ত মনের মানুষ। কিছুটা আবেগি হলেও এত সহজে ভেঙে পড়েন না। যেমন আভাস মিলল শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার পর। বললেন যদি আবার কখনো ফাইনালে যেতে পারেন তাহলে এই ভুল হবে না।

সতীর্থদের প্রশংসায় ভাসিয়ে মুশফিক বলেন, ‘আমি শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। দারুণ একটা টিম ছিল আমাদের। দেশি খেলোয়াড়রা চমৎকার পারফর্ম করেছে। বিদেশিরাও ছিল উজ্জ্বল। হয়তো আমরা সমর্থকদের মন ভরাতে পারিনি। তবে চেষ্টা করেছি ভালো কিছু করতে। দেখুন রানটা বেশি হয়ে গেছে।

বিশেষ করে শেষ চার ওভারে তারা ভালো রান তুলে ফেলে। তাছাড়া ম্যাচে কয়েকটা ক্যাচও মিস হয়েছে। যার খেসারত দিতে হলো আমাদের। তারপরও আমি বলবো সবমিলিয়ে খারাপ হয়নি। আবার যদি কখনো ফাইনালে যেতে পারি, চেষ্টা করবো আরও ভালো কিছু করতে। আর এই বিপিএল থেকে নতুন কিছু অভিজ্ঞতা হলো। দেশি ক্রিকেটারদের জন্য এটা বেশ কিছুদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত