রিফাত হত্যায় ব্যবহৃত রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ, আরেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

বরগুনায় স্ত্রীর সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার সময় যে রামদা ব্যবহার করেছিল খুনিরা, তার একটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া আলোচিত এই ঘটনার সন্দেহভাজন হিসেবে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বরগুনার সরকারি কলেজ ক্যান্টিনের পূর্ব পাশের ডোবা থেকে রামদাটি উদ্ধার করা হয়। এই রামদাটি দিয়েই প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করে খুনিরা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) বরগুনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, সকালে রিফাত ফরাজীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর দেখানো ডোবা থেকে রামদাটি উদ্ধার করা হয়েছে।

‘এ ছাড়া ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে রিফাত শরীফ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরিয়ান শ্রাবণ নামের আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বাসা বরগুনার বাজার সড়কে, বাবার নাম ইউনুস সোহাগ,’ যোগ করেন পরিদর্শক।

এ নিয়ে এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিনজনসহ মোট ছয়জন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। বাকি চারজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

গত ২৬ জুন সকালে স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে নিয়ে কলেজ থেকে ফেরার পথে নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজীসহ একদল যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। তারা ধারালো দা দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। রিফাতের স্ত্রী আয়শা হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন; কিন্তু তাদের থামানো যায়নি। তাঁরা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিফাতের মৃত্যু হয়।

এ হত্যার ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বৃহস্পতিবার সকালে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা সদর থানায় মামলা করেন।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত