শ্রম আদালতে ড. ইউনূসকে তলব

প্রকাশিত: জানু ১৩, ২০২০ / ০৮:১৪অপরাহ্ণ
শ্রম আদালতে ড. ইউনূসকে তলব

শ্রম আইনের ১০টি নিয়ম ল’ঙ্ঘ’ন করা মামলায় গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তলব করেছে ঢাকার শ্রম আদা’লত।

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে হাজির হতে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম।

ওই আদালতের পেশকার মিয়া মো. জামাল উদ্দিন সোমবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আ’সা’মি সমন পেয়ে আদালতে হাজির না হলে গ্রে’ফ’তা’রি প’রো’য়া’না জা’রির বিধান রয়েছে।

গত ৫ জানুয়ারি আদালতে মা’ম’লা’টি করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম।

মা’ম’লায় ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আব্দুল হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকরকে বিবাদী করা হয়েছে।

নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের অ’ভি’যোগে ড. ইউনূসের বি’রু’দ্ধে তিন মা’ম’লা দায়ের করা হয়। একই আদালত গত ৯ অক্টোবর ইউনূসের বি’রু’দ্ধে গ্রে’ফ’তারি প’রো’য়ানা জারি করেছিল। এরপর ৩ নভেম্বর আদালতে আ’ত্ম’সমর্পণ করে জামিন নেন তিনি।

নতুন মা’ম’লার অ’ভি’যোগ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল একজন পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স পরিদর্শন করে বিভিন্ন ত্রুটি দেখতে পেয়ে সে সব সংশোধনের নির্দেশনা দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পর ৭ মে ডাকযোগে বিবাদী পক্ষ জবাব দেয়।

এরপর মা’ম’লার বাদী একই বছরের ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে পরিদর্শনে গিয়ে ১০টি বিধি ল’ঙ্ঘ’নের প্রমাণ পান এবং ২৮ অক্টোবর তা অবহিত করেন। তবে বিবাদী পক্ষ সময়ের আবেদন করেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করেনি।

এতে বিবাদীরা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩৩ (ঙ) এবং ৩০৭ মোতাবেক দ’ণ্ড’নীয় অ’প’রাধ করেছেন বলে মা’ম’লায় বাদী অ’ভি’যোগ করেছেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন