পরমাণু অ’স্ত্র নিয়ে নিষে’ধা’জ্ঞা মানবে না ইরান

প্রকাশিত: জানু ৭, ২০২০ / ১২:৩১অপরাহ্ণ
পরমাণু অ’স্ত্র নিয়ে নিষে’ধা’জ্ঞা মানবে না ইরান

পরমাণু অ’স্ত্র শ’ক্তি ইরান যাতে বাড়তে না পারে, তার জন্য চুক্তি করেছিল আমেরিকা। আর তা থেকে ইরান ও আমেরিকার সম্পর্ক ত’লা’নিতে ঠেকতে শুরু করে। সম্প্রতি এয়া’রস্ট্রা’ইকের ইরানের মেজর জেনারেল সোলেমানির মৃ’ত্যু, সেই আ’গুনে ঘি দিয়েছে।

তাই আর কোনও নিষে’ধা’জ্ঞা মানা হবে না বলে হুঁ’শি’য়া’রি দিয়েছে ইরান। তেহরানের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, যে ২০১৫ সালের পরমাণু চু’ক্তিতে যেসব নিষে’ধা’জ্ঞা আরো’প করা হয়েছিল, তার কোনটিই আর মানা হবে না। ইরানের মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিবিসি সূত্রে খবর।

এমনিতে সোলেমানির মৃ’ত্যুর পর পা’ল্টা হা’ম’লার আ’ব’হ তৈরি হয়েছে। যার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যু’দ্ধের আ’শ’ঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে নিষে’ধা’জ্ঞা ভা’ঙতে চাওয়ায় মনে করা হচ্ছে, ইরান এখন পরমাণু অ’স্ত্র তৈরিতে হাত দিতে পারে। ইরান যাতে পরমাণু অ’স্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেজন্যেই তাদের সঙ্গে চুক্তিটি করেছিল আমেরিকা, ব্রিটেন, রাশিয়া, চীন সহ বিশ্বের শ’ক্তিধর দেশগুলো।

প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলে সম্পাদিত চুক্তিটিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবসময় একটি ‘বা’জে চুক্তি’ বলে বর্ণনা করে এসেছেন। আমেরিকা এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলেও ব্রিটেন, ফ্রান্স, চীন, জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মনে করে এখনো এই চু’ক্তির গু’রু’ত্ব আছে। এই পরমাণু চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে ত’দা’র’কিতে রাখা। ইরান দাবি করে যে তারা শা’ন্তিপূর্ণ কাজেই তাদের পরমাণু কর্মসূচি ব্যবহার করতে চায়।

পরমাণু চু’ক্তিটির সবচেয়ে বড় গুরুত্ব ছিল, এটাই যে এটি মধ্যপ্রাচ্যে যু’দ্ধের আ’শ’ঙ্কা দূর করেছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যখন এই চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে বেরিয়ে গেল, তারপর থেকে ইরান ক্র’মা’গত এই চু’ক্তিতে আ’রো’প করা কিছু বি’ধিনি’ষে’ধ ভ’ঙ্গ করে চলেছে।

কিন্তু জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হ’ত্যার পর যে নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে ইরান এখন মনে হচ্ছে সব বি’ধি’নিষে’ধই উপে’ক্ষা করবে। এর ফলে ইউরেনিয়াম প’রিশো’ধন ২০ শতাংশের উপরে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। পরমাণু বোমা তৈরির ক্ষেত্রে ইউরেনিয়াম প’রিশো’ধনের মাত্রা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইরান যদি এখন সব নিষে’ধা’জ্ঞা উপেক্ষা করে, তাহলে বো’মা তৈরির উপকরণ পেতে তাদের অনেক কম সময় লাগবে। ২০১৫ সালের চুক্তিটিতে বলা হয়েছিল, ইরানের ই’উরে’নি’য়াম প’রিশো’ধনের মাত্রা ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। পরমাণু অ’স্ত্র তৈরি এবং পরমাণু জ্বা’লা’নি- উভয় ক্ষেত্রেই প’রিশো’ধিত ই’উরে’নি’য়ামের দরকার হয়।

চুক্তি অনুযায়ী ইরানকে ‘হে’ভি ও’য়া’টার রিয়ে’ক্টর’ নতুন করে তৈরি করতে হয়। পরমাণু বো’মার আরেকটি উপাদান প্লু’টো’নি’য়াম পাওয়া যায় এই রিয়ে’ক্টরে ব্যবহৃত জ্বা’লা’নি থেকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিদর্শকরা চুক্তি অনুযায়ী এই রিয়ে’ক্ট’র নিয়মিত পরিদর্শন করার কথা।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন