লাখো মানুষ শরিক হলো আল্লামা তাফাজ্জুল হকের জানাজায়

প্রকাশিত: জানু ৬, ২০২০ / ০৭:১৮অপরাহ্ণ
লাখো মানুষ শরিক হলো আল্লামা তাফাজ্জুল হকের জানাজায়

হবিগঞ্জ তথা দেশের পূর্বাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় আলেম শায়খুল হাদিস আল্লামা তাফাজ্জুল হকের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নেমেছিল।

সোমবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে হবিগঞ্জ উমেদনগর টাইটেল মাদ্রাসায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজার নামাজে ইমামতি করেন মরহুমের বড় ছেলে হাফেজ মাসরুরুল হক।

জানাজায় সিলেটের সিটি মেয়র আরিফুল হকসহ দেশের বিভিন্ন উলামায়ে কেরামসহ লাখো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে তার ইচ্ছা অনুযায়ী মাদ্রাসার পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য, রোববার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে দেশের প্রখ্যাত আলেম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার অবস্থার অবনতি হলে রোববার বিকালে হবিগঞ্জ থেকে সিলেট শহরে হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছিল। পথিমধ্যে শেরপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা গেছে, মাওলানা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী উপমহাদেশের শীর্ষ হাদিস বিশারদ। তিনি জামেয়া আরাবিয়া উমেদনগর টাইটেল মাদরাসা হবিগঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস। এছাড়া হবিগঞ্জে মাদানী নগর মহিলা মাদরাসাও প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

১৯৪৪ সালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালি গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

দেশের বিশিষ্ট এ হাদিস বিশারদ ও রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। কিছুদিন আগেও বেশকিছু দিন রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। পরে হার্টের এনজিওগ্রামও করা হয়।

২০১৭ সালের ১৯ জুলাই অসুস্থ হয়ে লন্ডনের ইউলিয়াম হার্ভে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। পরে সেখানেও তার হার্টের এনজিওগ্রাম করা হয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন