মাশরাফীরা সেরা চারের পথে আরেকধাপ এগিয়ে গেলো

প্রকাশিত: জানু ৪, ২০২০ / ০৪:০০অপরাহ্ণ
মাশরাফীরা সেরা চারের পথে আরেকধাপ এগিয়ে গেলো

অনেকটা নিশ্চিতই বলা যায়, কাগজে-কলমের হিসাবটা যদিও থাকেই, তাছাড়া রানরেটও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে শেষঅবধি। যেটা সবচেয়ে ভালো অবস্থানে মাশরাফীদেরই। এর বাইরে খুলনা টাইগার্সকে ১২ রানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের সেরা চার অনেকটা ধরেই ফেলেছে ঢাকা প্লাটুন।

শুক্রবারের জয়ে মাশরাফী-তামিমদের ঢাকা ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে। সমান পয়েন্টে সমান ম্যাচে রানরেটে পিছিয়ে দুইয়ে রাজশাহী রয়্যাল, তিনে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে চারে অবস্থান খুলনার।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ১৭২ রান তোলে ঢাকা। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৬০ রানের বেশি যেতে পারেনি খুলনা।

ঢাকার শুরুতে ৪৫ রান এনে দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩ চার ও এক ছয়ে ২৩ বলে ২৫ করে ফেরেন তামিম। তার আগে ১৩ বলে একটি করে ছয়-চারে ১৫ করে সাজঘরের পথে হাঁটেন বিজয়।

কয়েক ম্যাচে ঝড় তোলা মেহেদী হাসান এদিন ১ রানের বেশি এগোতে পারেননি। তবে মুমিনুল হক ও আরিফুল হক মিলে ঢাকাকে পথেই রাখেন। ৩ চারে ৩৬ বলে ৩৮ করা মুমিনুল ইনিংস গড়ে ফেরেন।

আসিফ আলির সঙ্গে ঝড় তুলে শেষে বড় সংগ্রহের রাস্তা গড়েন আরিফুল। অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ২১ বলে ৫৪ রান যোগ করে দুজনে।

আরিফুল ৩ চার ও এক ছয়ে ৩০ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ঝড় তোলা আসিফ ২ চার ও ৪ ছক্কায় মাত্র ১৩ বলে ৩৯ রান আনেন।

খুলনার রবি ফ্রেইলিংক কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে দেন কেবল ১৮ রান। ২ উইকেট নেয়া মোহাম্মদ আমির খরচ করেন ২৭ রান। একটি করে উইকেট নেন শফিউল ও আমিনুল।

জবাব দিতে নেমে টপাটপ টপঅর্ডার হারায় খুলনা। মাশরাফীর বলে তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে শুরুটা করেন ওপেনিংয়ে প্রোমোশন পাওয়া লেগস্পিন-অলরাউন্ডার আমিনুল ইসলাম (৪)।

আরেক মেইকশিফট ওপেনার মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ১৫ রান। রাইলি রুশো ১৮, শামসুর রহমান ৩ রানে ফিরলে এরপর চাপেই পড়ে খুলনা।

সেই চাপ কাটান দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মুশফিকুর রহিম ও নাজিবুল্লাহ জাদরান। দুজনে ৫৬ রান যোগ করেন। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ২৯ বলে ৩১ রান করে যান জাদরান।

ফ্রেইলিংক ৬ রানে ফিরলেও মুশফিক হাত খুলে খেলা চালিয়ে যান। তুলে নেন ফিফটি। ৩৩ বলে ৬৪ করে তিনি ক্যাচ দিতেই নিভে যায় খুলনার লড়াইয়ের আশাটুকুও। ৬ চার আর ৪ ছক্কার ঝলমলে ইনিংস মুশির। যেটা হারের খাতায় থাকল সতীর্থদের কেউ জ্বলে উঠতে না পারার কারণে!

ঢাকার জয়ে ২০ বর্ষী পেসার হাসান মাহমুদ, ৪ ওভারে ৩২ রানে ঝুলিতে ভরেছেন ৪ উইকেট। একটি করে উইকেট মাশরাফী, থিসারা পেরেরা ও শাদাব খানের নামের পাশে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন