বাংলাদেশ ২০২৪ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাবে

প্রকাশিত: জানু ৩, ২০২০ / ১১:৫২অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ২০২৪ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাবে

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাথাপিছু আয় যথেষ্ট বেড়েছে। জিডিপির অংশ হিসেবে সরকারি ঋণ গত বছর বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশে

বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৪ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং এবং সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে বিশ্বের ৩০তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর)।

বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২০ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিলের ৪০তম স্থান থেকে ২০২৯ ও ২০৩৪ সালের মধ্যে যথাক্রমে ২৬তম এবং ২৫তম অবস্থানে উঠে আসবে বলে “ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল ২০২০” এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি ১৯৩টি দেশের ২০৩৪ সালের অর্থনীতির পূর্বাভাসের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ।

সিইবিআর তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ২০১৯ সালের পিপিপি সমন্বিত জিডিপি ৫ হাজার ২৮ ডলারের সমন্বয়ে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ।

সেখানে আরও বলা হয়েছে, গত বছর ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি দুর্দান্ত অগ্রগতি দেখিয়েছে। ২০১৮ সালে দেশটি ৭ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল।

২০১৪ সাল থেকে দেশের জনসংখ্যা প্রতি বছর এক শতাংশ হারে বাড়ছে। অর্থাৎ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাথাপিছু আয় যথেষ্ট বেড়েছে। জিডিপির অংশ হিসেবে সরকারি ঋণ গত বছর বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশে। যা ২০১৮ সালে ছিল ৩৪ শতাংশ।

এদিকে, ঋণ বাড়া সত্ত্বেও সরকারি আর্থিক খাত ভালো অবস্থানে রয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম ঋণের বোঝা ২০১৯ সালে সরকারকে ৪.৮ শতাংশ ঘাটতি বাজেট দিতে সহায়ক হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধির বার্ষিক হার ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে গড়ে ৭.৩ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

সিইবিআর ভবিষ্যদ্বাণী করছে, পরবর্তী ৯ বছরে অর্থনীতি বৃদ্ধির এ হার বজায় থাকলে ২০২০ সালের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লীগ তালিকায় বাংলাদেশ ৪০তম স্থান থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ২৫তম অবস্থানে উঠে আসবে।

প্রযুক্তির বর্ধিত প্রবৃদ্ধির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে ২০৩৩ সালে চীন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। অন্যদিকে, ভারত ২০২৬ সালে জার্মানিকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে এবং ২০৩৪ সালে জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন