এক মাস ধরে মেয়ের কব’রের পাশে বসে কাঁদছেন বাবা

প্রকাশিত: ডিসে ৩১, ২০১৯ / ১২:৪৪পূর্বাহ্ণ
এক মাস ধরে মেয়ের কব’রের পাশে বসে কাঁদছেন বাবা

মেয়ের কব’রের পাশে বসে এক মাস ধরে কাঁদছেন বাবা। ঘটনাটি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজে’লার পক্ষিয়া ইউপির সবাইকে নাড়া দিলেও পু’লিশ দিতে পারছে না এর কোনো সমাধান।

ভোলা বোরহানউদ্দিন উপজে’লায় পক্ষিয়া ইউপিতে এক মাস আগে তিন সন্তানের জননী বিবি ম’রিয়মের মৃ’ত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় ভোলা আদা’লতে একটি হ’ত্যা মা’মলা দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রে’ফতার করতে পারেনি পু’লিশ।

মেয়েকে পি’টিয়ে জামাই হ’ত্যা করেছে বলে অ’ভিযোগ করেন মেয়ের বাবা। তিনি দাবি করছেন তিনি জী’বিত থাকা অবস্থায় মেয়ের হ’ত্যাকারীর বিচার যেন দেখে যেতে পারেন।এদিকে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল মোটা অংকের অর্থের বিনিময় এ হ’ত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে বলে অ’ভি’যোগ উঠেছে। মেয়ের বাবা পক্ষিয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া অ’ভিযোগ করে বলেন, প্রায় ১৬-১৭ বছর আগে একই

ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. জাহাঙ্গীর ওরফে ঠা’ন্ডি’র সঙ্গে আমা’র মেয়ে বিবি ম’রিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই আমা’র মেয়েকে মা’রধর করতো মেয়ের জামাই। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে সব ক’ষ্ট সহ্য করে।

গত ২৮ নভেম্বর সকালে আমা’র মেয়েকে বেদম মা’রধর করে জামাই জাহাঙ্গীর। এরপর ওই দিন রাতে আমা’র মেয়েকে পরিক’ল্পিতভাবে পি’টিয়ে মে’রে পাশ্ববর্তী ইউসুফ এর ঘরের পাশে ফেলে রেখে ওই রাতেই পালিয়ে যায় মেয়ের জামাই জাহাঙ্গীর। আমা’র একটি মাত্র মেয়েকে ও পি’টিয়ে মে’রে ফেলেছে। আমি ওর ফাঁ’সি চাই।

এলাকাবাসী জানান, মেয়েটিকে হা*রিয়ে বৃদ্ধ বাবা বাদশা মিয়া প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একমাত্র মেয়েটির কব’রের পাশে বসে থাকে। মেয়েটিকে হা*রিয়ে বৃদ্ধ বাবা দিশে’হারা। তার একটাই চাওয়া জী’বিত অবস্থায় তার মেয়ের হ’ত্যারকারীর বিচার যেন দেখে যেতে পারেন। নি’হতের মেয়ে জ্ঞানদা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৯ম শ্রেণির ছাত্রী সেলিনা আক্তার বলেন, মাকে বাবা ওই দিন সকালে একটি লা’থি মে’রেছে। আর কিছু করেনি।

ওই দিন রাতে মায়ের সঙ্গে আম’রা দুই বোন ঘুমিয়ে গেছি। আর কিছু বলতে পারি না। গভীর রাতে পাশের বাড়িতে মায়ের লা’শের কথা শুনে আম’রা কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়ি।বোরহানউদ্দিন থা*নার ওসি ম. এনামুল হক বলেন, ভোলা আদা’লতে মা’মলা হয়েছে। আম’রা বিষয়টি খুব গভীরভাবে ত’দন্ত করছি। ময়নাত’দন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন