আইসিসি নতুন করে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের খেলা নিয়ে ভাববে

বাংলাদেশ যাতে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে পারে সে ব্যাপারে নতুন করে ভাববে আইসিসি। সময় সংবাদকে এমনটিই জানিয়েছেন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক এ সংস্থার প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন। এছাড়াও তিনি বলেছেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ যে ধরণের পারফরমেন্স দেখিয়ে তাতে করে টাইগার সমর্থকদের গর্ব করা উচিৎ।

রিচার্ডসনের কাছে প্রশ্ন ছিলো, ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির চূড়ান্ত সূচিতে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নেই। কেন? ব্যাপারটি ভাবনায় ফেলেছে রিচার্ডসনকে। তিনি বলেন, হ্যাঁ, এই ব্যাপারটি নিয়ে আমরা এখনো কাজ করছি। যদিও, এফটিপি চূড়ান্ত তারপরেও, আমি পরবর্তী আইসিসির সভায় এই ব্যাপারে আলোচনা করবো।

সাকিবে মন্ত্রমুগ্ধ ডেভিড রিচার্ডসন। তবে, সব ছাপিয়ে বাংলাদেশ দলের পারফরমেন্সে তাকে অবাক করেনি। বরং বলছেন, বড় দল হয়ে উঠতে হলে বিশ্বে মঞ্চে যে ধরনের ক্রিকেট খেলার প্রয়োজন তাই খেলেছে টাইগাররা। বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে দেখতে পারলে খুশি হবেন ডেভিড। আর না উঠতে পারলেও, সমর্থকদের উদ্দেশে দিলেন এমন বার্তা।

‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপে ক্রিকেটে সেরা দলগুলোর মতোই ক্রিকেট খেলেছে। তোমাদের দলের ক্রিকেট টেকনিক আর স্কিল অসাধারণ। আর হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত তোমরা যদি সেমিফাইনালে কোন কারণে নাও উঠতে পারো। তারপরেও, টাইগারদের পারফরমেন্স নিয়ে বাংলাদেশের সমর্থকদের গর্ব করা উচিত।’ বলছিলেন ডেভিড রিচার্ডসন।

২০১২ সালে আইসিসির প্রধান নির্বাহীর পদে থাকা ডেভিড রিচার্ডসনের জায়গায় দায়িত্ব নেয়ার কথা রয়েছে ভারতের মানু সোহানির। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স আগামীতে উঠে আসা দলগুলোর জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, এমনটাই মত আইসিসির প্রধান নির্বাহীর। সাত বছর আইসিসির প্রধান নির্বাহীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পর রিচার্ডসন বিদায় নিবেন বিশ্বকাপের পরপরই। তারপর তিনি ফিরে যাবেন তার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানে নাকি তিনি আগামী প্রজন্মকে শোনাবেন বাংলাদেশের উঠে আসার গল্প।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত