সিয়াম আবারও স্কুলে যেতে চায়

প্রকাশিত: ডিসে ২৭, ২০১৯ / ১২:২৬পূর্বাহ্ণ
সিয়াম আবারও স্কুলে যেতে চায়

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে উত্তর লতিফপুরে রোমান সিদ্দিক সিয়াম (১৩) নামের এক ছেলে বিরল রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, ২০১২ সাল থেকে সিয়ামকে শারীরিক অসুস্থ্যতার জন্য চিকিত্সা দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে রোমান সিদ্দিক সিয়াম পশ্চিম লতিফপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালীন এ রোগে আক্রান্ত হয়।

তার পিতা প্রবাসী আবদুল মতিন, মা ফাতেমা আক্তার একজন গৃহিনী তার বাড়ীর নাম আবদুল মতিনের নতুন বাড়ি, উত্তর লতিফপুর। সিয়ামের অসুস্থতার জন্য বর্তমানে সে স্কুলে যেতে পারছেনা ও লেখাপড়া বন্ধ রয়েছে এবং সে বাড়িতে অবস্থান করছে সিয়াম সমাজের অন্যান্য ছেলেদের মত বাঁচতে চায়।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১২ সাল থেকে সে ডাক্তারের পরামর্শ নেন। ২০১৩ সালে তাকে ঢাকা শমরিতা হাসপাতালে নেয়া হয়। ডা. চৌধুরী আলী কাউছার তার চিকিত্সা করান। তারপর ডা. নারায়ণ সাহা তাকে ৩ বৎসর চিকিৎসা দেন।

২০১৩-২০১৬ সাল পর্যন্ত পরবর্তীতে ঢাকা মিরপুর সি আর পি হাসপাতালে তাকে নেওয়া হয়। সেখানে ডা. নারায়ণ চক্রবর্তীর পরামর্শক্রমে তাকে দিল্লীতে নেয়া হয়। আবার সেখান থেকে তাকে স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে নতুন দিল্লীতে নেন। সেখানে ২২ দিন চিকিত্সা নিয়ে দেশে ফিরেন।

নয়া দিল্লীর স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালের জেনেটিক বিভাগের প্রধান ডাক্তার আই সি বর্মা সিয়ামের রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়। তিনি বলেন এ রোগের নাম ডি এম ডি এটি একটি বিরল রোগ। এ রোগে শরীরের পেশীগুলোকে দুর্বল করে দেয়।

নিজে নিজে চলাচল করতে পারে না একসময় নিসে্তজ হয়ে শয্যায় পড়ে থাকতে হয়। তবে এ রোগটি ৫ লাখ লোকের মধ্যে একজনের হয়ে থাকে।

অসুস্থ সিয়ামের বড় ভাই ফেরদেৌস হাসান যুগান্তরকে বলেন, সমাজের অন্যান্য শিশুদের মত আমার ছোট ভাইও স্কুলে যেতে চায়, লেখা-পড়া করতে চায়, খেলাধুলা করতে চায়, চলাফেরা করতে চায়। আমার ভাইকে বাঁচাতে সমাজের বৃত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছি।

সিয়ামের মা ফাতেমা জানান, দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ সিয়াম এ কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে বাংলাদেশের নোয়াখালীতে পরে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পরবর্তীতে ভারতের নয়া দিল্লীতে ডাক্তারের পরামর্শ ক্রমে চিকিত্সা নিচ্ছেন।

২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ভারতে চিকিত্সা নিয়ে ২৫ জুলাই দেশে ফিরেন। ডাক্তার ভারতের বেঙ্গোলরুতে ডিএমডি রিচার্স সেন্টারে উন্নত চিকিত্সার জন্য নেওয়ার পরামর্শ দেয়।

সেখানে যোগাযোগ করলে তারা জানান এ হাসপতালে চিকিত্সা নিতে ব্যয় হবে ২৫ লক্ষ টাকা। এ বিরল রোগে আক্রান্ত সিয়ামকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ বিত্তবানদের সহযোগিতা চায় তার পরিবার।

যোগাযোগের ঠিকানা: ফাতেমা আক্তার, আবদুল মতিনের নতুন বাড়ি, উত্তর লতিফপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

টাকা পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ, নগদ ও রকেট: ০১৮৮৯-২৬৪২২১

ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ঠিকানা: ফাতেমা আক্তার, জনতা ব্যাংক, জমিদারহাট, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী

অ্যাকাউন্ট নাম্বার: 09261021003541

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন