পেঁয়াজের দাম বেশি রাখায় দেড় লাখ টাকা জ’রিমানা

শরীয়তপুরের পালং বাজার ও আংগারিয়া বাজারে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি ও মূল্য তালিকা না থাকার অভিযোগে এক আড়ৎদারকে দেড় লাখ (এক লাখ ৫০ হাজার) টাকা জ’রি’মানা করা হয়েছে। আজ (১৪ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের শরীয়তপুর অফিসের সহকারী পরিচালক সুজন কাজী বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই জ’রি’মানা করেন। তিনি জানান, মেসার্স মাহাবুব খান ট্রেডার্সের মালিক মো. মিরাজ খান ১৪০/১৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনে ১৭৫/১৮০ টাকায় বিক্রি করছিলেন। এছাড়া আড়তে পেঁয়াজের মূল্য তালিকাও ছিল না। এ কারণে তাকে এক লাখ ৫০ হাজার জ’রি’মানা করা হয়। সময় কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি বিল্লাল হোসেন খান, সদর উপজেলার স্যানেটারি ইন্সপেক্টর আবুল হোসেন, পুলিশ ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সুজন কাজী দাবি করেন, মেসার্স মাহাবুব খান ট্রেডার্সের মালিক মো. মিরাজ খানের পালং বাজার ও আংগারিয়া বাজারের দুটি পেঁয়াজের আড়ত আছে। সেখানে গিয়ে যাচাই করে দেখা গেছে, আংগারিয়া বাজারের আড়তে পেঁয়াজের মূল্য তালিকা ১৫১ টাকা দেখানো হয়েছে এবং পালং বাজারে কোনো মূল্য তালিকা নেই। কিন্তু পাইকারি প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা। তাছাড়া কাউকে রশিদ দেয়া হয় না। শুধু তাই নয়, আড়ৎ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীদের মৌখিকভাবে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা বিক্রি করতে বলা হয়েছে। এভাবে ভোক্তাদের কাছ থেকে পেঁয়াজের বেশি দাম নেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, গত দুই মাস ধরে অস্বাভাবিক দামের কারণে অনেকে এখন হালি দরে পেঁয়াজ নিচ্ছেন। কা’রসাজি করে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাজারে কোনো দোকানে পেঁয়াজের কমতি নেই। আগের মতোই স্তূপ করে রাখা আছে। তার প্রশ্ন তাহলে দাম কেন কমছে না?

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত