ট্রেন যাত্রীদের প্রা’ণ বাঁচল ‘রাখাল বালকদের সংকেত’

নওগাঁর রাণীনগরে গোনা ইউনিয়নের বড়বড়িয়া নামক স্থানে রেলের পাটাতন ভেঙ্গে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজদারি না করলেও ওই এলাকার ছোট রাখাল বালকরা রেলের একটি অংশ ভাঙ্গা দেখতে পায়। তার কিছু সময় পরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তাদের বুদ্ধিমাত্রার কারণে জামা, গেঞ্জি, গামছা যার যা কাছে ছিল এই উদ্দোমী বালকরা সংকেত দিয়ে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করে। তারপর ইঞ্জিন ভাঙ্গা রেলের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। তাদের এই তাৎক্ষণিক বুদ্ধির কারণে ট্রেনে থাকা যাত্রী সাধারণ বড় দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি রানীনগর স্টেশনে অদূরে ঢুকছিল।

রাণীনগর স্টেশন মাষ্টার মানিক জানান, রাণীনগরের বড়বড়িয়া নামক স্থানে স্থানীয় কিছু রাখাল বালকরা রেলের ওপরের অংশে ভাঙ্গা দেখতে পায়। ইতিমধ্যে কিছু পরে ট্রেনও আসতে দেখতে পায় তারা। দু’র্ঘটনার কবল থেকে রক্ষার জন্য রাখালরা গামছা, গেঞ্জি, উড়িয়ে সংকেত দিয়ে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করে। ফলে কোনো প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে আমি সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের আইডব্লিউ একটি চৌকশ দল এসে লাইন মেরামত করে উভয় পাশের আটকে থাকা ট্রেন চলাচলে স্বাভাবিক করা হয়।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত