রিয়াজের সভা বয়কট করার পর মুখ খুললেন জায়েদ খান

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সভা ছিলো শুক্রবার। সেখানে কথা বলতে না দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েই সভা বয়কট করলেন বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক রিয়াজ। সভাস্থল থেকে বের হয়েই গণমাধ্যমে বিষয়টি জানান এক সময়ের জনপ্রিয় এ নায়ক। রিয়াজের দাবি, ঘড়ির কাঁটা যখন দুপুর ১২টা তখনই সভায় কথা বলার সুযোগ চান বর্তমান সমিতির সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক রিয়াজ। কিন্তু তিনি ৩০ মিনিট অপেক্ষা করেও কথা বলার সুযোগ পাননি। পরে তিনি সভাস্থল ত্যাগ করে বেরিয়ে যান।

এ সময় রিয়াজ বলেন, সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বর্তমান কমিটির কেউ কথা বলতে পারবেন না? এমন কোনো ধারা নেই। তাদের কিসের ভয়? আমি তাদের কাণ্ডকীর্তি ফাঁস করে দিতাম? সাধারণ সভায় তারা এমনভাবে কথা বলছিলেন যে বর্তমান কমিটির সব অর্জন শুধু তাদের দুজনের। বাকিদের কোনো ভূমিকা নেই। এসব নোংরামি। এই নোংরামির মধ্যে আমি থাকতে চাইনি। তাই সেখান থেকে বের হয়ে এসেছি।

কিন্তু শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, বার্ষিক সাধারণ সভায় যেটা হয়- কমিটিতে সদস্যদের জবাবদিহিতা নেয়া হয়। সমিতির আয়, ব্যয়, সফলতা, ব্যর্থতা নির্ভর করে এ কমিটির ওপরে। সাধারণ সদস্যদের কোনো প্রশ্ন থাকলে কমিটির লোকজন উত্তর দেবে। এর আগে প্রথমে সভাপতি কথা বলেন; এরপর সাধারণ সম্পাদক তার প্রতিবেদন পেশ করেন এবং কোষাধক্ষ সমিতির আয়-ব্যয় হিসাব দেন। এরপর যদি কমিটির কারো কিছু বলার থাকে সভাপতির অনুমতি নিয়ে কথা বলতে হয়।

জায়েদ খান বলেন, আমরা সবাইকে কথা বলতে দিচ্ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই রিয়াজ ভাই সামনের সারিতে বসা অবস্থা থেকে স্টেজে উঠে যায়। এরপর অনেকটা বিক্ষিপ্তভাবে বলেন তাকে এখনি বলতে দিতেই হবে। সে সময় শিল্পী সমিতির সিনিয়র সদস্য খালেদা আক্তার কল্পনার বক্তব্যের পালা ছিল। এদিকে রিয়াজ ভাইয়ের কাছে কেউ কোনো কিছু জানতেও চায়নি। এরপরও স্টেজে দাঁড়িয়ে দু-এক মিনিট কথা বলে স্থান ত্যাগ করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, এরপর রিয়াজ ভাই সমিতির সভাপতি মিশা এবং রুবেল ভাই এর কথায় আবারো এসে নির্ধারিত স্থানেই বসেন। শুধু তাই নয়, সভাপতির স্বাগত বক্তব্যের পরেই মৌসুমী আপা এবং সানী ভাই কথা বলেছেন। কিন্তু কথা বলার পর ব্যস্ততার কারণে তারা চলে যায়।

এদিকে, আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদের দ্বিবার্ষিকী নির্বাচন। এ নির্বাচনে গেল বারের ন্যায় নির্বাচন করছেন মিশা-জায়েদ পরিষদ। অন্যদিকে মৌসুমী-ডিএ তায়েব প্যানেল নির্বাচন করবে শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত ডিএ তায়েব মনোনয়ন জমা দেননি। এ কারণে মৌসুমী সভাপতি পদে একা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত