স্বামীকে খুন করে থানায় জানালেন স্ত্রী

ঠাকুরগাঁওয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার পর পুলিশকে ফোন করে জানিয়েছেন স্ত্রী।

সোমবার ভোরে সদর উপজেলার বড় বালিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শরিফুল ইসলাম (৪০) ওই ইউনিয়নের কুমারপুর গ্রামের নকিবর ইসলামের ছেলে।

এ ঘটনায় স্ত্রী মালেকা বেগমকে (২৮) আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মালেকা একই গ্রামের মজিবর রহমানের মেয়ে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একই এলাকার মজিবর রহমানের মেয়ে মালেকা বেগমের (২৮) সঙ্গে ৪ বছর আগে বিয়ে হয় শরিফুল ইসলামের। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ায় পরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন শরিফুল। দ্বিতীয় বিয়ের পরেও সংসারে বনাবনি না হওয়ায় মালেকাকে বিয়ে করেন তিনি। দুই স্ত্রীর কারণে পরিবারে সব সময় অশান্তি লেগে থাকায় মালেকাকে বালিয়া গ্রামে ভাড়া বাড়িতে রাখতেন শরিফুল।

রোববার রাতে শরিফুল মালেকার সঙ্গে দেখা করতে ভাড়া বাড়িতে গেলে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।

সোমবার ভোরে মালেকার চিৎকারে এলাকাবাসী দেখেন, শরিফুলকে দেশীয় অস্ত্রের কোপে খুন করা হয়েছে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চিত্ত রঞ্জন রায় বলেন, মালেকা সদর থানার এসআই ভুষণ চন্দ্র বর্মনকে ফোন করে জানান, তিনি তার স্বামী শরিফুলকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই ওই নারীর ফোন থেকে বাড়ির মালিক শফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলা হয়, এরপর তিনিও হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শরিফুলের পরিবারের দাবি, মালেকা তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত মালেকাকে আটক করা হয়েছে।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত