কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন : সাক্কু পুনরায় ভোট চান চার কেন্দ্রে

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২২ / ০২:০৯অপরাহ্ণ
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন : সাক্কু পুনরায় ভোট চান চার কেন্দ্রে

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের ১০৫টি কেন্দ্রের মধ্যে চারটি কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের আবেদন করেছেন পরাজিত প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। গত ২৪ জুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করলেও গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সাবেক মেয়র সাক্কু।

এদিকে গত ২৩ জুন কুসিক নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র আরফানুল হক রিফাত, ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলরদের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

নগরীর ৪২ নম্বর কেন্দ্র ভিক্টোরিয়া সরকারি বিদ্যালয় (উত্তর পাশের তিনতলা ভবন), ৭৮ নম্বর কেন্দ্র দিশাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (নতুন ভবন ও পশ্চিম পাশের পুরনো ভবন), ৭৯ নম্বর কেন্দ্র দিশাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তর পাশের ভবন) এবং ৯৭ নম্বর কেন্দ্র শালবন বিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (পূর্ব-উত্তর পাশের ভবন) ফলাফল বাতিল ও গেজেট স্থগিত করে পুনরায় ভোটগ্রহণের আবেদন করেন সাক্কু।

আবেদনে সাক্কু উল্লেখ করেন, ‘১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১০৫টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হয়। ৪২, ৭৮, ৭৯ ও ৯৭—এই চার কেন্দ্র ছাড়া সব কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তা অজ্ঞাত ফোনকল পেয়ে পাঁচ মিনিট সময় চান এবং ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করে চেয়ার থেকে উঠে যান।

আইন ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাকি চার কেন্দ্রের মেয়র প্রার্থীর ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করে কাউন্সিলর পদের ফলাফল ঘোষণার কথা বললে আমি ও আমার নির্বাচনী এজেন্টরা প্রতিবাদ করি। এতে রিটার্নিং অফিসার ভোট গণনার ফলাফল প্রায় ৪৫ মিনিট স্থগিত করে রাখেন। ’

ওই চারটি কেন্দ্রের ফলাফল ভুয়া ও কাল্পনিক দাবি করে তিনি লিখেন, ‘আমাকে পরাজিত করতে আলাদাভাবে কেন্দ্রভিত্তিক চারটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা না করে রিটার্নিং কর্মকর্তা একসঙ্গে ফলাফল ঘোষণা করেন।

এরপর আমাকে (টেবিল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী) ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট এবং নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতকে ৫০ হাজার ৩১০ ভোট প্রাপ্ত দেখিয়ে তাঁকে ৩৪৩ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনি। ’

মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘আমি ২৪ তারিখ আবেদন করেছি। বর্তমানে ঢাকায় আছি। গেজেট প্রকাশের ৩৩ দিনের মধ্যে মামলা করার নিয়ম আছে। প্রস্তুতি নিচ্ছি, যেকোনো সময় মামলা করব। ’

কুসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, ‘এটা নির্বাচন কমিশন দেখবে। আমার কিছু বলার নেই। ’

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন