২ ছাত্রলীগ নেতা ‘মামুনুল হকের’ বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে যাননি

প্রকাশিত: মে ৯, ২০২২ / ০২:১৭অপরাহ্ণ
২ ছাত্রলীগ নেতা ‘মামুনুল হকের’ বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে যাননি

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় চতুর্থ দফায় চার জনের সাক্ষ্য দেওয়ার দিন ধার্য ছিল সোমবার।

তাদের মধ্যে দুজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী দিয়েছেন। সাক্ষীরা হলেন- সেলুন ও পরিবহন ব্যবসায়ী নাজমুল হাসান শান্ত ও মো. শফিকুল ইসলাম সাগর। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মামলার একমাত্র আসামি মামুনুল হক মনযোগ দিয়ে এক ঘণ্টা সাক্ষীদের জবানবন্দি শুনেছেন।

এদিন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সোহাগ রনি ও রতন মিয়া নামে আরও দুজন সাক্ষ্য দেওয়ার সময় নির্ধারণ থাকলেও তারা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালত সাক্ষী গ্রহণ করেন।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা সাক্ষী দিয়েছে। পরবর্তী সাক্ষী গ্রহণের সময় পরে জানিয়ে দেয়া হবে। সাক্ষ্য গ্রহণের পর মামুনুল হককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক নয়ন বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের পর জেরা করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী ন্যায় বিচার পাবো।

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক-সার্কেল নাজমুল হাসান জানান, কঠোর নিরাপত্তায় মামুনুল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে মামলার বাদী কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। এরপর ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় রয়েল রিসোর্টের সুপারভাইজার আব্দুল আজিজ, রিসিপশন কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম অনিক ও আনসার গার্ড রতন বড়াল সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

পরে ২৫ জানুয়ারি তৃতীয় দফায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, রিসোর্টের আনসার গার্ড ইসমাঈল ও রিশিপশন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে ৫০১ নাম্বার কক্ষে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের হাতে নারীসহ আটক হন মামুনুল হক। ওই সময় নারীকে মামুনুল হক স্ত্রী দাবী করলেও ওই নারী তা অস্বীকার করেন। পরে ওই নারীই সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন