দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের দেওয়া ১৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন লিটন কুমার দাস। টিকতে পারেননি পজিশন পাল্টে ওপেনিংয়ে নামা মুশফিকুর রহিমও। দ্বিতীয় ওভারে ৫ রানে বিদায় নেন তিনিও। আগের ম্যাচের মতো বেশিক্ষণ থাকতে পারলেন না সাকিব আল হাসানও। ১৩ বল মোকাবিলা করে ব্যক্তিগত ১৫ রানের মাথায় বিদায় নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তাই দ্রুত উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। এই রিপোর্ট লেখার সময় ৪ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৭ রান। এরআগে মোহাম্মদ নবির একার লড়াইয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ উইকেটে ১৬৪ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচটিতে টস জিতেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। বাংলাদেশকে বোলিংয়ের আমন্ত্রণ জানান অতিথি অধিনায়ক।

অবশ্য ইনিংসের শুরু থেকেই আফগান ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরেন বাংলাদেশি বোলাররা। প্রথম বলেই ওপেনার রহমতউল্লাহ্কে ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দুর্দান্ত এক বলে সরাসরি বোল্ড করে ছন্দে থাকা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান সাইফউদ্দিন।

দ্বিতীয় ওভারে আবারো উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এবার আঘাত হানেন সাকিব আল হাসান। আরেক আফগান ওপেনার হজরতউল্লাহ্ জাজাইকে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ফেরার আগে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১ রান যোগ করেন জাজাই। ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ওভার বল করতে এসে আবারো সাইফউদ্দিন ম্যাজিক। এবারের শিকার নাজিব। ষষ্ঠ ওভারে নাজিবউল্লাহকে ফিরিয়ে দেন সাকিব।

৪০ রানে চার উইকেট হারানোর পর আসগর আফগান ও মোহাম্মদ নবির ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় আফগানিস্তান। পঞ্চম উইকেটে এই জুটি থেকে আসে ৭৯ রান। ১৭তম ওভারে আসগরকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন সাইফউদ্দিন। ফেরার আগে ৩৯ রান করেন তিনি। একই ওভারে গুলবাদিন নাইবকেও ফিরিয়ে দেন সাইফউদ্দিন।

তবে নবিকে থামাতে পারেননি বাংলাদেশি বোলাররা। ব্যাট হাতে একাই ঝড় তোলেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তাতে নির্ধারিত ওভারে ছয় উইকেটে ১৬৪ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। ইনিংস শেষে ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন নবি। মাত্র ৫৪ বলের ইনিংসটিতে ছিল সাতটি ছক্কা ও তিনটি বাউন্ডারি।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ৩৩ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। ১৮ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। এরআগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই দলই জিতেছে। এবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় নিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে যাইতে চাইবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান উভয়ই।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত