৯/১১’র ১৮ বছর, কাবুলের মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলা

নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারসহ তিনটি স্থানে ভয়াবহ হামলার ১৮ বছর পূর্তি আজ। ২০০১ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি উড়োজাহাজ ছিনতাই করে আল কায়েদা। এরমধ্যে তিনটি উড়োজাহাজ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে, আরেকটি বিধ্বস্ত হয় ফাঁকা মাঠে।

‘নাইন ইলেভেন’র এ হামলায় নিহত হন ৭৮টি দেশের মোট ২ হাজার ৯৯৬ জন মানুষ। শুধু ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চালানো দু’টি হামলায় প্রাণ হারান ২ হাজার ৭৬৩ জন। পেন্টাগনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরে হামলায় নিহত হন উড়োজাহাজের ৬৪ আরোহীসহ ১৮৯ জন। তবে, পরিকল্পনা ব্যর্থ হলেও ৪৪ আরোহীসহ পশ্চিম পেনসিলভানিয়ার একটি ফাঁকা জায়গায় বিধ্বস্ত হয় ছিনতাই করা চতুর্থ উড়োজাহাজটি।

এ ঘটনার জেরেই তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ আল কায়েদা ও ৯/১১’র মাস্টারমাইন্ড ওসামা বিন লাদেনকে দমনে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন।

ভয়াবহ এ সন্ত্রাসী হামলার ১৮ বছর পূর্তির মুহূর্তেই আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১২টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে, এতে কেউ হতাহত হননি বলে জানিয়েছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।

রকেট হামলায় মার্কিন দূতাবাসে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত
বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, এ হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি আফগান কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাতিল ঘোষণার পর এটাই প্রথম হামলার ঘটনা।

গত সপ্তাহে কাবুলে দু’টি ভয়াবহ গাড়ি বোমা হামলায় দুই ন্যাটো সদস্যসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক লোক নিহত হন। এ ঘটনার জেরেই তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

শুরুর দিকে আফগানিস্তানে প্রায় এক লাখ মার্কিন সেনা মোতায়েন হলেও লাদেন নিহত হওয়ার পর এ সংখ্যা কমতে শুরু করে। বর্তমানে দেশটিতে ১৪শ’ মার্কিন সেনা রয়েছে। এসব সেনা প্রত্যাহারের বিষয়েই তালেবানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের আলোচনা চলছিল।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত