মেয়র কোপালেন মুক্তিযোদ্ধাকে

প্রকাশিত: নভে ২৫, ২০২১ / ১১:২০অপরাহ্ণ
মেয়র কোপালেন মুক্তিযোদ্ধাকে

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে (৬৫) কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে রাজাকারের ছেলে এবং কক্সবাজারের মহেশখালী পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার স্বজনের বিরুদ্ধে।

বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় পৌরসভার গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধা গোরকঘাটা বাজার এলাকার মৃত হাজি লাল মিয়ার ছেলে। তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযুক্ত পৌর মেয়র মহেশখালী উপজেলার যুদ্ধাপরাধী তালিকার ২২ নম্বর আসামি হাশেম সিকদার ওরফে বড় মোহাম্মদের ছেলে।

এ বিষয়ে আহত মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন বলেন, রিকশা নিয়ে গোরকঘাটা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে গাড়ি থেকে নেমে তার রিকশার গতিরোধ করে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া। পরে মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার ছেলে ইয়াবা মামলার আসামি নিশান, মেয়রের ভাগিনা মামুন ও স্বজন মহিউদ্দিন ও শামসুদ্দিনসহ কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়।

আহতের ছেলে মো. দেলোয়ার বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ তার দলবল নিয়ে তার পিতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে। এছাড়া কিছুদিন আগে তার বাবা মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা করে। সেই থেকে নিরপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তারা। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবুও তার বাবাকে হামলা করেছে মেয়র মকছুদও তার স্বজনরা।

তবে অভিযুক্ত মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া জানান, আমজাদ হোসেনের মানসিক সমস্যা রয়েছে তাই তার নাম বলছেন। তিনি আমজাদের হামলার সঙ্গে জড়িত নন। তার ওপর হামলা হয়েছে কিনা তিনি জানেন না। তিনি বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন।

পৌর মেয়র আরও বলেন, ৩১ বছর আগের খাইরুল আমিন হত্যা মামলার শুনানি শুরু হয়েছে, যে মামলায় আমজাদ অভিযুক্ত। হয়তোবা সেই মামলার কার্যক্রমকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ওই মুক্তিযোদ্ধা এ হামলার নাটক সাজাচ্ছেন।

মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই বলেন, হামলাকারীদের চিনতে পেরেছেন বলে আমাদেরকে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। তার লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন