৫ লাখ লোক কাজ করবে হাইটেক পার্কে

প্রকাশিত: অক্টো ১২, ২০২১ / ১১:০৫অপরাহ্ণ
৫ লাখ লোক কাজ করবে হাইটেক পার্কে

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ.ক.ম মোজাম্মেল হক (এমপি) বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। যেটা পৃথিবীর মধ্যে প্রথম ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণায় আজকে কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে সাড়ে ৫ একর জমিতে তাদের প্রকল্প শুরু করেছেন। হাইটেক পার্ক কিন্তু বাংলাদেশে অনেক হবে। ১০০টির বেশি হবে।

আমাদের ইচ্ছা আছে যে, পর্যায়ক্রমে হাইটেক পার্ক আমরা উপজেলায় উপজেলায় করব। কিন্তু এসব হাইটেক পার্কের রাজধানী হবে কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি। সে আঙ্গিকে এ হাইটেক সিটিকে গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে সেন্টার অব এক্সিলেন্স ফর ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সি (এমপি)। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম,

এক্সপোর্ট কম্পেটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফরজি) প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মনসুরুল আলম প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মামুনুল হক,

কালিয়াকৈর থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুরাদ কবীর, সাধারন সম্পাদক রেজাউল করীম রাসেলসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবর্গ।

তিনি আরো বলেন, বাংলার মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি আনার জন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তারই ফসল আজকে আমাদের হাইটেক পার্কে এই সেন্টার অব এক্রিলেন্স ফর ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হল।

সরকারের পরিকল্পনা হাইটেক পার্কে ৫ লক্ষ লোক কাজ করবে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল ২০২১ সালের মধ্যে অন্তত ২ লক্ষ লোক যাতে এখানে কাজ করতে পারবে। সেভাবে এখানে শিল্পায়িত হবে, বিল্ডিংগুলো গড়ে উঠবে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, সারা পৃথিবীতে যে করোনা মহামারির কারণে এসব কাজগুলো হয়নি।

বিদেশীরা যারা ইন্ডাষ্টিয়াল এ রকম ৬৬টি কোম্পানি তারা জায়গা বরাদ্ধ নিয়েছেন। কিন্তু কাজ করতে পারে নাই। এ কারণে আজকে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়নি। আশা করছি, এ সরকারের মেয়াদকালে আগামী ২ বছরের মধ্যে এই অঞ্চলের প্রায় ২ লক্ষ লোক এখানে কর্মসংস্থান হবে। তাদের যে সমস্ত অবকাঠামো দরকার, সুযোগ সুবিধা দরকার সেগুলোর ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, সমুদ্রসীমা যেটা আমরা অজর্ন করেছি। আগে পৃথিবীতে কোনো সমুদ্র আইন ছিল না। কিছু বিধি বিধান ছিল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আইনের খসড়া তৈরি হয় এবং সেই আইনের বলে তিনি জাতিসংঘে মামলা করে গিয়েছিলেন।

তাঁর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সেই আইন লড়াই করে এই সমুদ্র সীমা অর্জন করেছেন। এই বিপুল জলরাশি আমরা যখন পূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারবো। আজ যেমন গার্মেন্টেস সেক্টর থেকে ৩৪ বিলিয়ন ডলার বছরের আমরা আয় করতে পারি, তেমনি সমুদ্র থেকেও আমাদেও উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্র থেকেও আমরা কারখানার মতো আয় করতে পারবো।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন