যে ঐতিহাসিক স্থাপনা এক রাতের মধ্যেই নির্মাণ হয়েছিল!

ভাঁড়ারা শাহী মসিজদ প্রায় ৪০০ বছরের পুরাতন। কথিত আছে মসিজদিট এক রাতে তৈরী হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন স্থান হতে মসজিদটি দেখার জন্য মাসুষজন এখানে আসেন। ভাঁড়ারা শাহী মসজিদটি ওয়াকফ স্টেটের অর্ন্তভূক্ত সম্পত্তি। এটি পরিচালনার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ইউ.পি চেয়ারম্যানসহ মোট সাত সদস্যের কমিটি রয়েছে।প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন বিপদ অআপদ থেকে রক্ষা পেতে বা মনের ইচ্ছা পূরণের জন্য এ মসজিদে দান করে থাকেন।

১৭৫৭ সালে বাদশাহ শাহ আলমের রাজস্ত কালে দৌলত খা পুত্র আসালত খা ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ নির্মান করেন। ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি যাহা শুধু মাত্র গম্বুজ দ্বারা বেষ্টিত। অনেক পুরাতন মসজিদ হলে উহার আকৃতি এবং অবস্থান অনেক সুন্দর। পদ্মনদী এর পাড়ে অবস্থিত ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ। বর্তমান পদ্মা নদী ৩ মাইল দূরে। মসজিদের পূর্বপাশে একটি মাজার রয়েছে। মাযারটি খুবই লম্বা আকৃতি। ফকির শাহ মাজার হিসাবে পরিচিত।

লোকের মুখে শুনা যায় ভাঁড়ারা ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ এর রাতে নির্মান হয়েছে। ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ শাহী শাসন আমলে একটির উজ্জল দৃষ্টান্ত এবং ঐতিহ্য বহন করে।

প্রতি শুক্রবারে শত শত মানুষ জুম্মার নামাজ আদায় করার জন্য উপস্থিত হয়। এটির অবস্থান পাবনা সদর উপজেলা ভাঁড়রা ইউনিয়নে। পাবনা শহর হইতে প্রায় ১২ কিলোমিটার দুরে পূর্ব দক্ষিণ কর্ণারে

যেভাবে যেতে হয়: পাবনা শহর হতে প্রায় ৩ কিলোটিমার দুলে কালিদহ মোড়া, সেখান থেকে ডানদিকে পাকা রাস্তা হয়ে দোগাছী বাজার হয়ে ঐতি হাসিক শাহী মসজিদে যাওয়া যাবে।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত