এরদোগান রাশিয়া যাচ্ছেন ‘পুতিনকে চাপ দিতে’

প্রকাশিত: সেপ্টে ২৮, ২০২১ / ১১:১৯অপরাহ্ণ
এরদোগান রাশিয়া যাচ্ছেন ‘পুতিনকে চাপ দিতে’

সিরিয়ার ‘ইদলিব’ চুক্তি মেনে চলতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে চাপ প্রয়োগ করতে মস্কো যাচ্ছেন এরদোগান।

তুরস্কের ডেইলি সাবাহর খবরে বলা হয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করতে বুধবার রাশিয়া যাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে তিনি সিরিয়ার ইদলিব নিয়েও কথা বলবেন। আশা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট এরদোগান পুতিনকে চুক্তি মেনে চলতে চাপ প্রয়োগ করতে সমর্থ হবেন।

সম্প্রতি উত্তর সিরিয়ায় এক বিমান হামলায় তুরস্কপন্থি ১১ যোদ্ধা নিহত হয়। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবসারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, উত্তর সিরিয়ার আফরিন শহরের বাইরের একটি স্কুলকে তুর্কি সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আল হামজা ডিভিশন’ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করত। এই অঞ্চলটি ২০১৮ সালের পর থেকে তুরস্ক ও সিরিয়ার আসাদ বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রোববার রাশিয়া এই অঞ্চলে বিমান হামলা করলে ১৩ জন যোদ্ধা নিহত ছাড়াও আরও ১৩ আহত হয়।

যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান রামি আব্দুল রহমান বলেন, তুরস্ক নিয়ন্ত্রিত এই এলাকাতে এ ধরনের হামলা বিরল।

ডেইলি সাবাহর খবরে বলা হয়েছে, পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় এরদোগান এই বিষয়টি তুলে ধরবেন। এছাড়া দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিশেষ করে ককেশাস, লিবিয়া ও আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলবেন।

এই বছরেরও বেশি সময় পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সশরীরে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন।

এরদোগান ও পুতিন কিছু ক্ষেত্রে মিত্র হলেও সিরিয়ায় তুরস্ক প্রেসিডেন্ট আসাদ বিরোধীদেরকে সমর্থন দিচ্ছে। এরদোগান সরকার সিরিয়ার ভেতর কুর্দিদের লক্ষ্য করে মাঝে মাঝে বিমান হামলা চালিয়ে থাকে।

অন্যদিকে তুরস্কের মিত্র রাশিয়া বাশার আল আসাদ সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ভ্লাদিমির পুতিন আসাদ সরকারকে সামরিক সহায়তা প্রদান করছে।

তবে সিরিয়ায় রাশিয়া ও তুরস্ক পরস্পরবিরোধী গ্রুপকে সমর্থন দিলেও সিরিয়ায় উত্তরে এই দুই দেশের মধ্যস্থতায় অনেক যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এরমধ্যে ২০১৮ সালের ইদলিবের যুদ্ধবিরতিও রয়েছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন