৩ গ্রামের সড়ক খালে বিলীন, চরম দুর্ভোগে মানুষ

প্রকাশিত: সেপ্টে ১৪, ২০২১ / ১১:০১অপরাহ্ণ
৩ গ্রামের সড়ক খালে বিলীন, চরম দুর্ভোগে মানুষ

মীরসরাই উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের হিঙ্গুলী খালে ৩ গ্রামের চলাচলের রাস্তাসহ খালের পেটে চলে যাচ্ছে গাছপালা
মীরসরাই উপজেলার ২নং হিঙ্গুলী ইউনিয়নের হিংগুলী খালে বিলীন হয়ে যাচ্ছে জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন আশপাশের তিন গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষ।

উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বুক চিরে বয়ে গেছে হিঙ্গুলী খাল। আর সেই খালের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধা কামাল পাশা সড়কটি পূর্ব হিঙ্গুলী, মোহাম্মদপুর, ইসলামপুর গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের প্রবল স্রোতে গত কয়েক বছর ধরে ক্রমাগত ভাঙনে সড়কটি বিলীন হয়ে গেছে।

এক সময় এই সড়ক দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করত। পাশাপাশি ইসলামপুর থেকে এই সড়ক দিয়ে করেরহাট বাজারে আসা-যাওয়া করতেন স্থানীয়রা। বর্তমানে সড়কটি দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, সড়কটি ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার জন্য ইতোমধ্যে দফায় দফায় চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডে ডিও লেটার দিয়েছেন স্থানীয় এমপি সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা লিংকন জানান, কয়েক বছর আগেও যে সড়ক দিয়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করত, সেই সড়ক খালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এমন জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মাথাব্যথা নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা নাসির উদ্দীন কোম্পানি বলেন, সড়কটি দিয়ে এখন পায়ে হেঁটে চলাচল করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও ভারি জিনিস আনা নেওয়ার সময় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন তিন গ্রামের মানুষ।

হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন হারুন বলেন, বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পক্ষ থেকে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে। তবে সড়কের কাজের দায়িত্ব যদি এলজিইডি অথবা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকত তাহলে আরো অনেক আগে সংস্কার হয়ে যেত। কিন্তু এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে হওয়ায় একটু সময় লাগছে, আশা করি দ্রুত কাজ হবে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম জোনের সার্কেল-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান খান বলেন, সড়কটির বিষয়ে আমি নিশ্চিত হয়েছি। উপ-বিভাগীয় সহকারী প্রকৌশলী আনিস হায়দার খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে যাবে এবং কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন